ভারতীয় নৌসেনার শক্তি বাড়ল, যুক্ত হল ব্রহ্মসবাহী মহেন্দ্রগিরি, জাহাজ পরিচালনায় বঙ্গ যোগ
এই শ্রেণির যে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ ভারতীয় নৌবহরে রয়েছে, তারমধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়। বঙ্গোপসাগরে ভাসল আইএনএল মহেন্দ্রগিরি। আত্মনির্ভর ভারতে সামনে এল নতুন শক্তি।
শত্রুপক্ষকে ফাঁকি দিতে সিদ্ধহস্ত। রাডারে ধরা পড়বে না তার উপস্থিতি। কিন্তু নজরদারি প্রখর। ভেসে যাওয়ার সময় সেটি থেকে শত্রুপক্ষকে টার্গেট করে ছুঁড়ে দেওয়া যায় ভূমি থেকে ভূমি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র।
শুধু ব্রহ্মস নয়, সেই সঙ্গে তার সঙ্গে থাকছে ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র বরাক ৮। ফলে জোড়া ক্ষেপণাস্ত্রে শক্তিশালী সে। আবার এটি যে শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ সেই তালিকায় এটিই সবচেয়ে বড়।
ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এই স্টেলথ ফ্রিগেট পৃথিবীর মধ্যেও অন্যতম বৃহৎ। আত্মনির্ভর ভারতের ধ্বজা উঁচু করে এটি ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে যেমন তৈরি তেমন এটি তৈরি করতে ভারতের শতাধিক সংস্থার তৈরি উপকরণ কাজে লাগানো হয়েছে।
দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি ১৭এ প্রকল্পের আওতায় ষষ্ঠ যুদ্ধজাহাজ আইএনএস মহেন্দ্রগিরি-কে এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় নৌসেনার হাতে তুলে দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এই জাহাজটি তৈরি করেছে মাজাগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড। নাম রাখা হয়েছে পশ্চিমঘাট পর্বতমালার অন্যতম বৃহৎ পর্বত মহেন্দ্রগিরি-র নামে।
এই যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে বঙ্গ যোগও রয়েছে। মহেন্দ্রগিরির প্রথম ক্যাপ্টেন হয়েছেন সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তিনিই এই যুদ্ধজাহাজের কমান্ডিং অফিসার। এই শ্রেণিভুক্ত পঞ্চম যুদ্ধজাহাজ আইএনএস দুনাগিরিকে গত ২১ জুন কলকাতার গার্ডেনরিচে ভারতীয় নৌসেনার হাতে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এদিকে আইএনএস মহেন্দ্রগিরি ভারতীয় নৌসেনায় যুক্ত হওয়ার পর গার্ডেনরিচেই তৈরি হচ্ছে এর পরের জাহাজ আইএনএস বিন্ধগিরি। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













