পশ্চিমবঙ্গ বা অসম নয়, অন্য রাজ্য এই প্রথম তাদের চা পাঠাল ইউরোপে, খুলল নতুন দরজা
ভারতে চা-এর কথা উঠলে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের নাম সকলেই বলে দেন। এবার এই ২ রাজ্যের কাছের এক রাজ্য তাদের চা ইউরোপে পরিচিতির আলোয় এনে ফেলল।
ভারতের চা শুধু ভারতে বলেই নয়, বিশ্বজুড়ে প্রসিদ্ধ পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের চায়ের জন্য। এই ২টি রাজ্যের নামই চা উৎপাদনকারী রাজ্য হিসাবে সকলের জানা।
এখান থেকে প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে চা রফতানি হয়ে থাকে। কিন্তু এই ২ রাজ্যের কাছের একটি রাজ্যও যে ভাল পরিমাণ ও উন্নত মানের চা উৎপাদন করে থাকে তা এবার জানল ইউরোপও।
ত্রিপুরার চা এই প্রথম পাড়ি দিল ইউরোপে। আর তা গেল কলকাতা হয়ে। এই প্রথম ত্রিপুরার চা ইউরোপে যাওয়া ত্রিপুরার চায়ের ইতিহাসে এক অধ্যায়ের জন্ম দিল। তার সঙ্গে খুলে দিল তাদের রাজ্যে উৎপাদিত চায়ের বাণিজ্যিক ভবিষ্যৎ। ১৫.১৩ মেট্রিক টন চা ইউরোপে পাড়ি দিয়েছে।
ত্রিপুরাকে ভারতের চায়ের মানচিত্রে সেভাবে ধরা হয়না। কিন্তু ত্রিপুরায় যথেষ্ট পরিমাণ চা উৎপাদিত হয়। সে চায়ের মানও উন্নত। সে রাজ্যে ৫৪টি চা বাগান রয়েছে। যারমধ্যে ত্রিপুরা সরকার পরিচালিত এবং বেসরকারি সংস্থা পরিচালিত চা বাগান রয়েছে।
ইউরোপীয় দেশে ত্রিপুরার চা পাড়ি দেওয়া ত্রিপুরার চায়ের বাজারকে দেশের সীমা ছাড়িয়ে বিদেশের আঙিনায় পৌঁছে দিল। যা ত্রিপুরাকে চা উৎপাদনে এক শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাবে। স্থানীয় চা উৎপাদনকারীরা উপকৃত হবেন।
চা চাষের সঙ্গে যুক্ত মানুষজনের আর্থিক ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হবে। অন্তত বিশেষজ্ঞেরা তাই মনে করছেন। ত্রিপুরার চা-কে সে রাজ্যের এক অন্যতম শক্তিশালী আর্থিক ভরসা করে তুলতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্যের সরকার। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











