আন্দামানের একাংশে অস্ত্রের গর্জন, উড়ল বায়ুসেনার সুখোই, কারণ অন্য
আন্দামানে এখন অস্ত্রের গর্জন। সর্বত্র নয়। কিছু জায়গায়। যেখানে আকাশে উড়ছে বায়ুসেনার বিমান। তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র। কেন এমন অস্ত্রসজ্জার হুংকার।
ভারতের দ্বীপপুঞ্জ আন্দামান ও নিকোবরে এখন যুদ্ধাস্ত্রের ছড়াছড়ি। আকাশে উড়ছে এসইউ-৩০ যুদ্ধবিমান। জমিতেও অস্ত্রের গর্জন। ব্রহ্মস থেকে ক্রিস্টাল মেজ ২ ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হচ্ছে। তবে সারাক্ষণ নয়।
সকাল ১০টায় শুরু হচ্ছে। চলছে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। ওই সময় আন্দামানের একটা অংশে কাউকে ঘেঁষতেও দেওয়া হচ্ছেনা। সকলকে যাতে দূরে রাখা হয় তার জন্য প্রশাসনিক তৎপরতাও রয়েছে। কিন্তু সেখানে হচ্ছে কি?
২০ অক্টোবর থেকে এমনটা শুরু হয়েছে। ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তা চলবে। ভারত আন্দামান থেকে তার প্রতিরক্ষায় কতটা মজবুত তা খতিয়ে দেখতে এটা একটা ড্রিল। পরীক্ষা করা হচ্ছে সবরকম প্রস্তুতি। যাতে কোনও সময় বহিঃশত্রু দেশের প্রতিরক্ষার জন্য চ্যালেঞ্জ হলে তা মোকাবিলা করা যায়।
এই পরীক্ষায় শামিল হয়েছে ভারতীয় সেনার ৩ বিভাগই। তবে খুব বিস্তারিতভাবে এই পরীক্ষার তথ্য পাওয়া যায়নি। সংবাদ সংস্থা আইএএনএস এই পরীক্ষা সম্বন্ধে জানিয়েছে। ভারতের স্থলসেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনার পাশাপাশি উপকূলরক্ষী বাহিনীও এই পরীক্ষায় শামিল হয়েছে।
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের মূল স্থলভাগ থেকে ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। তাই সেখানে ভারত তার প্রতিরক্ষায় কতটা মজবুত অবস্থায় তা খতিয়ে দেখতেই এই ড্রিল বলে জানা যাচ্ছে।
এদিকে বায়ুসেনার ক্ষেত্রে আকাশে ওড়ার মাঝে বিমানে জ্বালানি ভরার দরকার পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে বিমানটিকে ফিরিয়ে এনে মাটিতে নামিয়ে জ্বালানি ভরা নয়, আকাশপথেই যাতে তাতে জ্বালানি ভরে দেওয়া যায় সে ব্যবস্থাও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











