টুইন টাওয়ার থেকে খাজুরাহো, বাংলার বাইরেও প্যান্ডেলে বাজিমাত, উপচে পড়ছে ভিড়
কোথাও টুইন টাওয়ার, কোথাও খাজুরাহোর মন্দির, কোথাও ফারাক্কা ব্যারেজ তো কোথাও অন্য কোনও থিম। বাংলার বাইরে একের পর এক দুর্গাপুজোয় ভিড়ের চাপ সামাল দেওয়া দায়।
কলকাতার পুজোয় চোখ ধাঁধানো থিম, জাঁকজমক দেখতে উপচে পড়া ভিড় প্রতিবছরের চালচিত্র। এমনকি বাংলার অন্য জেলাগুলিতেও পুজোয় এখন থিমের ছোঁয়া। সেখানেও ভিড় সামাল দেওয়া দায়।
কিন্তু বাংলার বাইরেও যে এমন একের পর এক সার্বজনীন পুজোয় একের পর এক চমকে দেওয়ার মত থিম বাজিমাত করতে পারে তা এবার দেখতে পাওয়া গেল। পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া রাজ্য বিহারে দুর্গাপুজোর থিমের বাহার দর্শকদের প্যান্ডেলমুখী করেছে।
বহু মানুষ দূর দূর থেকে ঠাকুর দেখতে, প্যান্ডেল দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন। পাটনার ডাকবাংলো মেড়ে মধ্যপ্রদেশের বিখ্যাত খাজুরাহোর মন্দিরের আদলে তৈরি হয়েছে মণ্ডপ। মণ্ডপের উচ্চতা ৮০ ফুট। নিখুঁত কাজ দেখতে উপচে পড়ছে ভিড়।
পাটনার বোরিং রোডের পুজোয় উঠে এসেছে বাংলার ফারাক্কা ব্যারেজ। বন্যা, নদীর পার ভাঙা, বিহারের কৃষকদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়া জায়গা পেয়েছে এই থিমে। ফারাক্কা ব্যারেজের আদলে প্যান্ডেলটি ৫৫ ফুট উঁচু এবং ৫৫ ফুট চওড়া।
পাটনারই বোরিং ক্যানেল রোডের পুজোয় আবার অন্য থিম। ১০০ ফুট উঁচু এবং ১৫০ মিটার লম্বা মণ্ডপে জায়গা পেয়েছে ২০ হাজারটি ঘণ্টা। প্যান্ডেলের মধ্যে রয়েছে ১৬ ফুটের দুর্গা প্রতিমা।
মুঙ্গের জেলার বারিয়ারপুর ব্লকের পুজোতেও ভিড় সামাল দেওয়া দায় হচ্ছে। এখানে প্যান্ডেল তৈরি হয়েছে মালয়েশিয়ার পেট্রোনাস টুইন টাওয়ারের আদলে। প্যান্ডেলের উচ্চতা ২৫০ ফুট।
এখানকার দুর্গাপ্রতিমা বিখ্যাত বড়ি দুর্গা মহারানি নামে। প্রতিমা এখানে বিশাল। পাটনা, মুঙ্গের, কাটিহার সহ বিভিন্ন জায়গায় দুর্গাপুজো জমে উঠেছে বিহারে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











