শতাব্দী প্রাচীন দুর্গ থেকে অদৃশ্য হয়ে গেল ৩ হাজার কেজির ঐতিহাসিক কামান
ঐতিহাসিক কামান অনেকেই দেখেছেন। দেখেই বোঝা যায় তাকে নড়ানো নেহাত সহজ কাজ নয়। সেই কামান রাতারাতি অদৃশ্য হয়ে গেল। তাও আবার দুর্গের ভিতর থেকে।
শতাব্দী প্রাচীন দুর্গ। দুর্গে রয়েছে বিশাল বাগান এবং খোলা চত্বর। সেখানে অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন রাখা রয়েছে। তার একটি হল একটি শতাব্দী প্রাচীন কামান।
কামানটিতে যে ধাতু ব্যবহার হয়েছে তা অনেকগুলি ধাতুর মিশ্রণ। কাঁসা, তামা, ব্রোঞ্জ এবং অষ্টধাতুর মিশ্রণে এই কামান তৈরি। ষোড়শ শতাব্দীর কামানটির ওজন ৩ হাজার কেজির ওপর। যা দুর্গের খোলা চত্বরটি থেকে অদৃশ্য হয়ে যায় রাতারাতি।
১৫ ও ১৬ জুলাইয়ের মধ্যবর্তী রাতে সেখানে জনা ৩০ লোক হাজির হয় বলে জানিয়েছেন দুর্গের প্রহরীরা। তাঁদের ভয় দেখিয়ে তারা কামানটি বাগান থেকে তুলে নিয়ে যায়।
ওই বিশাল ওজনের কামানটি তোলার জন্য যাবতীয় সরঞ্জাম তারা নিয়ে এসেছিল। এনেছিল নিয়ে যাওয়ার জন্য বড় আকারের গাড়ি। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া-র তত্ত্বাবধানে থাকা এই দুর্গ থেকে এভাবে আস্ত একটা ঐতিহাসিক কামান তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা রীতিমত আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।
মধ্যপ্রদেশের নরওয়ার দুর্গের নাম অনেকেরই জানা। দুর্গটির সঙ্গে রামায়ণের ভগবান রামের ছেলে কুশের যোগ রয়েছে। যা এখানকার স্থানীয় মানুষজনের মুখে মুখে ঘোরে।
আবার এ দুর্গের সঙ্গে পৌরাণিক যোগও রয়েছে। নল দময়ন্তীর কাহিনির সঙ্গে এই দুর্গ জড়িয়ে আছে। এমন এক ঐতিহাসিক দুর্গ থেকে এমন এক ঐতিহ্যবাহী অমূল্য কামান রাতারাতি তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। তদন্তে সমস্যার কারণ হয়েছে দুর্গের মধ্যে কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকা। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











