এ বছর কৈলাস পরিক্রমার আলাদাই আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্য, এ বছর কৈলাস মহাকুম্ভ
কৈলাস মানসসরোবর যাত্রা চলছে। তবে এবার কৈলাস যাত্রার মাহাত্ম্যই আলাদা বলে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। এ বছর পালিত হচ্ছে কৈলাস মহাকুম্ভ।
কৈলাস মানসসরোবর যাত্রা একটা স্বপ্ন পূরণের শামিল। ৩ দিন ধরে কৈলাস পরিক্রমা যেমন পরম প্রাপ্তি, তেমনই কঠিন পথ অতিক্রম করা। এ বছরও বহু পুণ্যার্থী ভারত থেকে কৈলাস মানসসরোবর যাত্রা করছেন।
মহাকুম্ভের সময় কুম্ভস্নান এক পরম প্রাপ্তি। ১২ বছরে ১ বার আসে মহাকুম্ভ। মহাকুম্ভ যাত্রা যেমন এক বিরল কুম্ভযাত্রা, তেমনই এ বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে কৈলাস যাত্রাও এক বিরল প্রাপ্তি। কৈলাস যাত্রা প্রতিবছর হলেও এবারের কৈলাস যাত্রাকে কৈলাস মহাকুম্ভ বলে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
তিব্বতি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রতি ১২ বছরে ১ বার আসে অশ্ব বর্ষ। যা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। চলতি বছর তিব্বতি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী অশ্ব বর্ষ। যে বছর অশ্ব বর্ষ হয় সেই বছর কৈলাস মানসসরোবর যাত্রাকে আলাদাই আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্যের চোখে দেখা হয়।
হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে এই বছরটিতে কৈলাস পরিক্রমা অনন্য প্রাপ্তি। এটি কৈলাস মহাকুম্ভ। ২০২৬-এ কৈলাস মানসসরোবর যাত্রার প্রাপ্তি অবশ্য কেবলই কৈলাস মহাকুম্ভেই শেষ হয়নি। সেই সঙ্গে এ বছর হল তিব্বতি মতে, অতি বিরল ফায়ার হর্স ইয়ার বা অগ্নি অশ্ব বর্ষ। যা আবার আসে প্রতি ৬০ বছরে ১ বার।
তার মানে একজন মানুষ তাঁর জীবদ্দশায় সাধারণভাবে ১ বারই এই বর্ষের পুণ্য প্রাপ্তির সুযোগ পাবেন। ২০২৬ সালে কৈলাস মানসসরোবর যাত্রা ও কৈলাস পরিক্রমা সেই বিরলতম প্রাপ্তির সুযোগ করে দিচ্ছে পুণ্যার্থীদের।












