মেয়ের জন্য নির্বাচিত পাত্রের খোঁজ নিতে ট্রাফিক পুলিশ বিভাগে গেলেন বৃদ্ধ পিতা
মেয়ের পাত্র হিসাবে কাউকে বেছে নেওয়ার আগে পাত্রের সম্বন্ধে খোঁজখবর করেন অনেকে। কিন্তু সেটা পাড়া বা কর্মস্থলে হয়। তা না করে ট্রাফিক পুলিশের কাছে গেলেন এক বৃদ্ধ।
মেয়ের জন্য সুপাত্র বেছে নেওয়া নেহাত সহজ কাজ নয়। পাত্র বাছাইয়ের ওপর মেয়ের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে থাকে। সেজন্য অনেকেই কোনও পাত্র পছন্দ হলেও তাঁর সম্বন্ধে পাড়ায় গিয়ে খোঁজখবর করেন। প্রতিবেশিদের কাছে খোঁজ নেন। পাত্রের কর্মস্থলেও হাজির হন। নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেন পাত্রের চরিত্র ও প্রবণতা সম্বন্ধে।
পাত্রের পরিবার সম্বন্ধেও খোঁজখবর নেয় পাত্রীর পরিবার। সবকিছু মনের মত হলে তারপরই মেয়ের সঙ্গে বিয়েতে সবুজ সংকেত দেয় তারা। এসব তো জানা। কিন্তু এক পাত্রীর পিতা সেসব ছেড়ে পাত্রের খোঁজ নিতে প্রথমেই হাজির হলেন শহরের ট্রাফিক পুলিশ বিভাগে।
মেয়ের সঙ্গে পছন্দের পাত্রের বিয়ে দেওয়ার আগে ওই পিতার প্রধান জিজ্ঞাসা ছিল বেপরোয়া গাড়ি চালানো বা কোনও দুর্ঘটনার অভিযোগে ওই পাত্রের বিরুদ্ধে কোনও রিপোর্ট ট্রাফিক পুলিশ বিভাগে রয়েছে কিনা! কোনও চালান ওই পাত্রের নামে ট্রাফিক বিভাগ কেটেছে কিনা!
বৃদ্ধ পিতাকে ফিরিয়ে দেয়নি ট্রাফিক বিভাগও। সেখানকার আধিকারিকরা উদ্যোগ নিয়ে ওই যুবকের গাড়ির নম্বর দেখে যাবতীয় দিক খতিয়ে দেখেন। তারপর ওই পিতাকে আশ্বস্ত করেন কোনও বেপরোয়া গাড়ি চালানো বা দুর্ঘটনার ইতিহাস ওই যুবকের নেই।
এমন এক আপাত আশ্চর্য খোঁজখবর নেওয়ার খবর এসেছে অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া এলাকা থেকে। কিন্তু সব ছেড়ে গাড়ি চালানোর সময় বেপরোয়া গাড়ি চালানো বা দুর্ঘটনার খবরের ভিত্তিতে পাত্র বাছাই কেন?
পুলিশের ধারনা, ওই বৃদ্ধ ব্যক্তি মেয়েকে ওই যুবকের হাতে তুলে দেওয়ার আগে নিশ্চিত হতে চাইছিলেন ওই যুবকের মেজাজ ও তাঁর শৃঙ্খলাবোধ সম্বন্ধে। যা গাড়ি চালানোর সময় অনেকটাই প্রকাশ পায়।











