National

পড়শি রাজ্যের জল যন্ত্রণা ক্রমশ খারাপ হচ্ছে, আতান্তরে ৫৭ হাজার মানুষ

জলের তলায় বিস্তীর্ণ অংশ। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। ৫৭ হাজার মানুষ জল যন্ত্রণার শিকার। ৩০০ গ্রাম জলের তলায়। গবাদি পশুদের পরিস্থিতি আরও খারাপ।

জল বেড়েই চলেছে। আর যত জল বাড়ছে ততই বন্যা পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করছে। অসমের ৮টি জেলা ধেমাজি, ডিব্রুগড়, চড়াইদেও, তিনসুকিয়া, লখিমপুর, শিবসাগর, ওদালগুড়ি এবং জোরহাট বন্যার প্রকোপে জলমগ্ন।

গ্রামের পর গ্রাম জলের তলায়। ৫৭ হাজার মানুষ জলের জেরে আতান্তরে পড়েছেন। ৪৪০ জন অস্থায়ী ক্যাম্পে মাথা গুঁজতে বাধ্য হয়েছেন। ১৪টি এমন রিলিফ ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

এছাড়া প্রশাসনের তরফে বন্যাবিধ্বস্ত পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারের কাজ জোরকদমে চলছে। অসমের অন্যতম নদী বুড়ি দিহিং বিপদ সীমার ওপর দিয়ে বইছে। গোটা বন্যা পরিস্থিতির একটি বড় কারণ বুড়ি দিহিং নদীর প্লাবন।

৩ হাজার ৮৭৪ হেক্টর চাষ জমি জলের তলায় হারিয়ে গেছে। প্রচুর ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে গবাদি পশুরও। ৩৭ হাজার ৫৫০টি গবাদি পশু বন্যার জেরে বিপাকে। এমনকি জঙ্গলের পশুরাও সমস্যার মুখে। এদিকে পরিস্থিতি ক্রমে খারাপ হচ্ছে।

এ তো গেল গ্রামাঞ্চলের কথা। জোরহাট এলাকায় শহরগুলিও বন্যার গ্রাসে চলে এসেছে। প্রায় ২ হাজারের মত শহরবাসী বন্যার জেরে বিপদে পড়েছেন। বন্যা ত্রাণ পাঠানো চলছে।

যেখানে মানুষ বন্যার জলে আটকে পড়েছেন সেখানেই ত্রাণ পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমে খারাপের দিকে যাচ্ছে। পাহাড়ি এলাকা থেকে জল এসে নদীপথে বন্যা পরিস্থিতিকে জটিল আকার দিচ্ছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article