SciTech

হাসছে সূর্য, বিশ্ববাসীর চিন্তায় কপালে ভাঁজ বিজ্ঞানীদের

সূর্যের এই হাসি সাধারণ মানুষের দেখে ভাল লাগলেও তা বিজ্ঞানীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পুরু করেছে। বিশ্ববাসীর জন্য এই হাসিতে লুকিয়ে আছে চিন্তা।

সূর্যকে এভাবে হাসতে কে কবে দেখেছে? সূর্যের হাসি দেখে অনেকের কার্টুন চরিত্রের কথাও মনে পড়ে যাচ্ছে। কারও আবার মনে পড়ছে ছোটবেলায় আঁকার খাতায় সূর্যের হাসি মুখের ছবির কথা।

নাসার একটি টেলিস্কোপ এই ছবি তুলেছে। যা নাসা ভাগ করে নিয়েছে সকলের সঙ্গে। আপাত দৃষ্টিতে সূর্যের এই হাসি সকলের মন ভাল করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। সূর্যের হাসিতে মজেছেন অনেকেই। ছবি শেয়ারও করছেন।

কিন্তু এই হাসির পিছনে বিশ্ববাসীর জন্য আদপে লুকিয়ে আছে চরম দুঃখ। যা টের পেয়ে বিজ্ঞানীদের মুখে হাসি নেই। বরং কপালে চিন্তার ভাঁজ তাঁদের পুরু হয়েছে।

সূর্যের হাসি মনে হলেও মুখ ও চোখের অংশে যে কালো গর্ত দেখা যাচ্ছে তা সূর্যের আবহমণ্ডলে ফুটোর কারণে হয়েছে। যেখান থেকে সূর্যের আগুনে ঝড় ছিটকে বেরিয়ে আসছে। আর তা ছিটকে আসছে সৌরমণ্ডলের অন্য গ্রহের দিকে। যে তালিকায় রয়েছে পৃথিবীও।

সূর্যের ওই ঝড় পৃথিবীর দিকে অতিপ্রবল গতিতে ছুটে আসে। যদিও তা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও চৌম্বকীয় বলয়ে ধাক্কা খাবে, তবে তার প্রকাশ হবেই।

হয়তো বিশ্ববাসীর জন্য এখনই তা ভয়ংকর কিছু ঘটাবে না, তবে এই প্রবণতা কিন্তু আগামী দিনের জন্য চিন্তার কারণ হল। যা নিয়ে চিন্তিত বিজ্ঞানীরাও। তাই তাঁদের কাছে সূর্যের এই হাসি আদপেও হাসি মজার জিনিস নয়।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button