National

মোষের ধাক্কায় নাক ভাঙা ট্রেন পরদিন ধাক্কা মারল গরুকে

এ ট্রেনের সঙ্গে গরু, মোষদের ধাক্কাধাক্কি লেগেই আছে। মোষের ধাক্কায় তো ট্রেন তার নাক ভেঙেছে। এবার সেই ট্রেন গিয়ে ধাক্কা মারল গরুকে।

আগের দিনই মোষের ধাক্কায় নাক ভেঙেছিল। তাও শিক্ষা হয়নি! পরদিনই গরুকে ধাক্কা মারল! অবশ্যই ট্রেনের দোষ নয়। ট্রেনের চালকেরও দোষ নেই। বরং ধাক্কা খেয়ে ট্রেনেরই নাক ভেঙেছিল।

যদিও এ ট্রেন ভারতের সেমি হাইস্পিড ট্রেন বলেই পরিচিত। ফলে তার গতি অত্যন্ত বেশি। অন্তত ভারতীয় রেলের অন্য ট্রেনের তুলনায় তো বেশিই।

বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনটি গত বৃহস্পতিবার আমেদাবাদের বাতোয়ার কাছে আসার পর তার সামনে লাইনের ওপর পড়ে যায় ৪টি মোষ। যা দেখা গেলেও চালকের পক্ষে ওই গতিতে থাকা ট্রেনকে থামানো সম্ভব হয়নি।

ফলে ট্রেন সোজা গিয়ে ধাক্কা মারে মোষগুলিকে। মোঘ ৪টির মৃত্যু হয়। অন্যদিকে ট্রেনের সামনের অংশ, যাকে ট্রেনের নাক বলা হয় তা দুমড়ে যায়।

রেলমন্ত্রী অবশ্য পরে জানান যে গৃহপালিত পশুদের সঙ্গে এমন ধরনের ধাক্কাধাক্কি ট্রেন রুটে হয়ে থাকে। একথা মাথায় রেখেই বন্দে ভারতের নাক এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে তা দ্রুত পাল্টে ফেলা যায়।

বৃহস্পতিবারও ১০ মিনিট পর ট্রেনটি যাত্রা শুরু করে। একদিনের মধ্যে সেটির বিশেষ ধরনের প্লাস্টিকের তৈরি নাকও ঠিক করে দেওয়া হয়। কিন্তু পরদিনই ফের বন্দে ভারত ধাক্কা মারল।

শুক্রবার একটি গরুকে ধাক্কা মারে ট্রেনটি। এবার গুজরাটের আনন্দের কাছে। ধাক্কা মারার সময় ট্রেনের গতি ছিল ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button