বর্ষার জল আর পাকিস্তানে যাবেনা, ধুধু মরুভূমির মাঝে গজিয়ে উঠছে বিশাল দিঘি
এ যেন অনেকটা রূপকথার মত। এক শুকনো ধুধু মরু প্রান্তরের মাঝে গজিয়ে উঠছে এক বিশাল দিঘি। যা বদলে দেবে আগামীকে।
এতদিন ধরে প্রতিবছর বর্ষা হয়েছে। বর্ষার সময় যে অতিরিক্ত জল পেয়েছে এই এলাকা, সে জল ভারতে থাকেনি। বয়ে গেছে পাকিস্তানে। আন্তর্জাতিক সীমানা পার করে ভারতে ঝরে পড়া বর্ষার জল গড়িয়ে পাকিস্তানে পৌঁছে গেছে।
এটাই ছিল প্রতিবছর জয়সলমীরের পাক সীমানার কাছের মরুভূমির চেনা ছবি। তাতে পাকিস্তানে গড়িয়ে যাওয়া জল পাকিস্তান ব্যবহার করেছে কিন্তু ভারতে ঝরে পড়া সে জল ভারতের কাজে লাগেনি। জয়সলমীরের মানুষের কাজে লাগেনি। এবার সেই ছবি বদলে যাবে।
জয়সলমীরে ঝরে পড়া বর্ষার জল আর পাকিস্তানে পাড়ি দিতে পারবেনা। সে জল এখানেই থেকে যাবে। মরুভূমির মাঝে সেই বর্ষার অতিরিক্ত জল সীমানার দিকে বয়ে যাওয়ার আগেই জমা হবে এক দিঘিতে। ২৮ কিলোমিটার পরিধি জুরে সেই অতিকায় দিঘি তৈরি হচ্ছে মরুভূমির মাঝে। যা আগামী দিনে জয়সলমীরের চেহারা বদলে দিতে পারে।
জল জীবন মিশনের আওতায় এই দিঘি তৈরি করা হচ্ছে। কৃত্রিমভাবে তৈরি এই দিঘিতে জমা হবে জল, যা বর্ষার পর স্থানীয় মানুষের উপকারে লাগবে। রাজস্থানের জল সংরক্ষণ পদক্ষেপে এই দিঘি এক মাইলফলক হয়ে উঠতে চলেছে।
রাজস্থানকে জলের জন্য কারও মুখাপেক্ষী হতে হবেনা। এটাই বর্তমান রাজস্থান সরকারের লক্ষ্য। আর সেজন্য জল সংরক্ষণে জোর বাড়াচ্ছে তারা। এই দিঘি তৈরি হয়ে গেলে মনে হবে যেন বালি দিয়ে ঘেরা এক বিশাল সমুদ্র। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











