Kolkata

দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ত্রয়ী ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে কলকাতা

কলকাতা এক অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে। এটা অবশ্যই এক বড় প্রাপ্তি বাংলার জন্য। দেশের প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালী করতে ত্রিসংযোজন হতে চলেছে এই শহরেই।

ভারতের প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালী করে তুলতে আরও একধাপ এগোতে চলেছে নৌবাহিনী। পেতে চলেছে আধুনিক ও শক্তিশালী ৩ রণতরী। যা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হতে চলেছে কলকাতা থেকে। যেখানে উপস্থিত থাকতে চলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই এই অনুষ্ঠান হতে চলেছে। যে সময় কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও থাকছেন। আইএনএস দুনাগিরি, আইএনএস অগ্রে এবং আইএনএস সংশোধক, এই ৩ আধুনিক রণতরী যুক্ত হবে ভারতীয় নৌবহরে।

একসঙ্গে ৩টি রণতরী এভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবহরে যুক্ত করার ঘটনা বিগত বেশ কয়েক বছরে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার হতে চলেছে। গত বছর মুম্বইয়ের নৌবাহিনীর বন্দর থেকে ৩টি রণতরীকে জলে ভাসিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপর কলকাতাতেই দ্বিতীয়বার ৩টি রণতরী একসঙ্গে জলে ভাসতে চলেছে।

আইএনএস দুনাগিরি থেকে ব্রহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা যাবে। ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণ করার ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্লোজ ইন ওয়েপন সিস্টেম এই রণতরীর বৈশিষ্ট্য। মাত্র ৮০ মাসে গার্ডেনরিচের জাহাজ তৈরির কারখানায় এটি তৈরি করা হয়েছে।

আইএনএস অগ্রে আবার সাবমেরিন ধ্বংস করতে সিদ্ধহস্ত। যা অগভীর জলেও অনায়াসে কাজ করতে পারে। উপকূলের কাছে সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ ধ্বংস করা আইএনএস অগ্রের বিশেষত্ব। এই রণতরীতে থাকছে হালকা টর্পেডো, দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি অ্যান্টি সাবমেরিন রকেট লঞ্চার।

আইএনএস সংশোধক একটি ১১০ মিটার লম্বা রণতরী। যা তৈরি করা হয়েছে সমুদ্রের জলের পর্যবেক্ষণের কথা মাথায় রেখে। জলে রণতরীর লড়াই এবং দেশের জলভাগকে সুরক্ষিত রাখতে এই রণতরী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article