World

ভারতের ১২ হাজার কিলোমিটার দক্ষিণে সুদূর কুমেরুতে পৌঁছে গেল স্বচ্ছ ভারত অভিযান

স্বচ্ছ ভারত অভিযান ভারতের গণ্ডি পার করে পৌঁছে গেল বহুদূরে। সেখানে ১২ হাজার কিলোমিটার দূরে বরফের দেশে শুরু হল স্বচ্ছ ভারত অভিযান।

কুমেরু বা অ্যান্টার্কটিকা মানেই বরফের প্রান্তর। পৃথিবীর একদম দক্ষিণ প্রান্ত। সেখানে শুধু বরফ আর বরফ। সেই অ্যান্টার্কটিকায় অনেক দেশের স্টেশন রয়েছে। মূলত গবেষণার জন্য এখানে পৌঁছন গবেষকেরা। থাকেন সেই ভয়ংকর ঠান্ডার মাঝে। থেকে গবেষণার কাজ করেন।

ভারতের যে স্টেশন সেখানে রয়েছে তার নাম ‘মৈত্রী’ এবং ‘ভারতী’। এই ২টি স্টেশনে ভারত থেকে অ্যান্টার্কটিকায় যাওয়া গবেষকেরা কাজ করেন। সেখানে শুরু হল স্বচ্ছ ভারত অভিযান।

স্টেশন চত্বর সাফ করে ফেলা হয়েছে। ঝাঁ চকচকে এখন চারধার। এই সাফাই অভিযান হয়েছে অতি ভয়ংকর ঠান্ডার মধ্যেই। কারণ এখন অ্যান্টার্কটিকায় পারদ ঘোরাফেরা করছে মাইনাস ৪৮ ডিগ্রির আশপাশে।

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর পোলার অ্যান্ড ওশান রিসার্চ তাদের এক্স হ্যান্ডলে এই বিষয়টি পোস্ট করেছে। মৈত্রী ও ভারতী স্টেশনে সাফাই অভিযান ও সেখানকার পুরো জায়গায় সর্বোত্তম ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে এই উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়েছে পোস্টে।

অ্যান্টার্কটিকার অতি প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও স্বচ্ছতাকে গুরুত্ব দিয়ে সুন্দর এক কাজের জায়গাকে এই উদ্যোগে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ন্যাশনাল সেন্টার ফর পোলার অ্যান্ড ওশান রিসার্চ।

প্রসঙ্গত মৈত্রী তৈরি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। অ্যান্টার্কটিকার শিরমাখার ওয়েসিসে তৈরি করা হয় এটিকে। ভারতীকেও এর কাছেই তৈরি করা হয়েছিল। ২টিই ছিল অ্যান্টার্কটিকায় থেকে গবেষণার জন্য ভারতের গবেষণাগার।

অ্যান্টার্কটিকায় ভারতের প্রথম পা রাখা অবশ্য ‘দক্ষিণ গঙ্গোত্রী’ তৈরি করে। ১৯৮৩-৮৪ সালে অ্যান্টার্কটিকায় ‘দক্ষিণ গঙ্গোত্রী’ নামে একটি বৈজ্ঞানিক বেস স্টেশন তৈরি করে ভারত।

Show Full Article