এবার নিয়ে টানা ২১ বছর বাজি পোড়ানো থেকে দূরে রইলেন ১০ গ্রামের মানুষ
একটি এলাকার গ্রামের মানুষ টানা ২১ বছর ধরে বাজি পোড়ান না। কোনও অভিশাপ বা ভীতি নয়, এক মহৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই তাঁদের এই সিদ্ধান্ত।
বাংলায় কালীপুজোয় আতসবাজি এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। আবার দেশের নানা প্রান্তে দিওয়ালী পালিত হয়। সেখানেও আতসবাজি পোড়ে। আতসবাজির আনন্দে মেতে ওঠার জন্য সারা বছর অপেক্ষায় থাকে ছোট থেকে বয়স্ক সকলেই।
হোলিতে যেমন রং খেলা, তেমনই দিওয়ালীতে আতসবাজি। কিন্তু এই আনন্দ থেকে নিজেদের স্বেচ্ছায় দূরে রেখেছেন দেশের ১০টি গ্রামের মানুষ।
এ বছর নিয়ে ২১ বছর হল তাঁরা বাজিতে হাত দেননি। এমন নয় যে তাঁরা আতসবাজি এড়িয়ে চলেন, ভীত হন বা কোনও অভিশাপ রয়েছে বা কোনও প্রচলিত ধারনা রয়েছে। তাঁরা আতসবাজি পোড়ান না পাখিদের জন্য।
তামিলনাড়ুর ভেলোড় পক্ষী অভয়ারণ্যে প্রচুর পাখির বাস। সেখানকার সবুজের মাঝে জলের ধারে পাখিদের কুজন মন ভাল করে দেয়। নানা পাখির দেখা মেলে এখানে।
এরই আশপাশে রয়েছে ১০টি গ্রাম। যেখানকার বাসিন্দারা এই পাখিদের কথা মাথায় রেখে নিজেদের বাজি পোড়ানো থেকে দূরে রেখেছেন ২ দশক ধরে। যাতে বাজির শব্দ ও ধোঁয়া পাখিদের বিরক্ত না করে। তাদের শান্তি বিঘ্নিত না হয়।
এসব গ্রামের ছোটরা কেবল ফুলঝুরির মত বাজি পুড়িয়েই বছর বছর দিওয়ালী পালন করে। তারা গ্রামের পরম্পরাকে ভাঙতে দেয়না। প্রসঙ্গত ২৪০ একর জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই পক্ষী অভয়ারণ্য বহু পাখির নিশ্চিন্ত আবাস হয়ে উঠেছে। ১৯৯৬ সালে এই পক্ষী অভয়ারণ্যটি তৈরি হয়। তামিলনাড়ুর ১৬টি পক্ষী অভয়ারণ্যের একটি এই ভেলোড় পক্ষী অভয়ারণ্য। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











