ইউনেস্কো-র বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন করল মহাভারত, অর্থশাস্ত্র ও রাজতরঙ্গিণী
মহাভারত, অর্থশাস্ত্র ও রাজতরঙ্গিণী, ভারতের ৩ অনন্য সাহিত্যকে বিশেষ স্বীকৃতি দিল ইউনেস্কো। এই বিশেষ সম্মান অর্জন ভারতীয়দের গর্বিত করল।
দেশের ইতিহাস, সাহিত্য, দর্শন, সংস্কৃতির পরম্পরাকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে মহাভারত, অর্থশাস্ত্র ও রাজতরঙ্গিণীর মত ৩ বিরল সাহিত্যকে বিশেষ সম্মান প্রদান করল ইউনেস্কো। ইউনেস্কো-র মেমোরি অফ দ্যা ওয়ার্ল্ড কমিটি ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্যা প্যাসিফিক রিজিওনাল রেজিস্টারে এই ৩ সাহিত্যের পাণ্ডুলিপি জায়গা করে নিল। এই সম্মান ভারতীয়দের গর্বিত করল।
মহাভারত নিয়ে কোনও ভারতীয়কে নতুন করে কিছু বলার দরকার পড়েনা। রাজতরঙ্গিণী কল্হণ রচিত এমন এক রচনা যা মধ্যযুগের কাশ্মীর তথা ভারতের এক দলিল বলা যেতে পারে।
প্রসঙ্গত কল্হণ নিজেও একজন ঐতিহাসিকই ছিলেন সেই সময়। ফলে তাঁর লেখায় তার ছাপও স্পষ্ট ছিল। কাশ্মীরের জীবন ও রাজনীতির ক্রমপর্যায় রাজতরঙ্গিণীতে পরিস্কার করেছেন কল্হণ।
অর্থশাস্ত্র রচনা করেছিলেন কৌটিল্য। যিনি চাণক্য নামেও পরিচিত। অর্থশাস্ত্র একাধারে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা থেকে অর্থনীতি সম্বন্ধে গভীর জ্ঞান, আবার কূটনীতি থেকে প্রশাসন চালনার খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। যা সেই সময় শাসনের একটি গাইডবুকে পরিণত হয়েছিল।
রাজতন্ত্রে কর ব্যবস্থা থেকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গুপ্তচর ছড়িয়ে রাখা থেকে মানুষকে সুশাসন প্রদান করা, সবই এক এক করে উঠে এসেছে অর্থশাস্ত্রের পাতায়। যার প্রভাবও সে সময় যথেষ্টই ছিল।
ভারতের প্রাচীন সাহিত্যচর্চা ও পুস্তক রচনার ক্ষেত্রে এই ৩টি গ্রন্থের ভূমিকা অসামান্য। এগুলি কেবল কিছু রচনা নয়, এক একটা ইতিহাস। যাকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দিল ইউনেস্কো। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











