বিশেষ কারণে ৪টি ভাল্লুককে পাকড়াও করলেন বনকর্মীরা, ১টির ওজনই ৫০০ কেজি
একটা গোটা দিনের চেষ্টায় ৪টি বড় চেহারার ভাল্লুককে পাকড়াও করলেন বনকর্মীরা। অকারণে নয়, বিশেষ কারণে তাদের পাকড়াও করা হয়।
একটি ভাল্লুককে ঘুমপাড়ানি গুলি চালিয়ে পাকড়াও করতে হয়। এছাড়া উপায় ছিলনা। কারণ তার চেহারা বিশাল। ৫০০ কেজি ওজনের ভাল্লুকটিকে পাকড়াও করতে হিমসিম খেতে হয় বনকর্মীদের। এটি সবচেয়ে বড় চেহারার ভাল্লুক ছিল।
এছাড়াও ৩টি ভাল্লুককে ধরা হয়। তাদের অবশ্য ঘুমপাড়ানি গুলিতে কাবু করতে হয়নি। তারা নিজেরাই তাদের ধরার জন্য পেতে রাখা খাঁচায় ধরা পড়েছে। একদিনে ৪টি ভাল্লুককে পাকড়াও করার পিছনে রয়েছে বিশেষ কারণ।
এই ভাল্লুকগুলি লোকালয়ে ঢুকে এসেছিল। মানুষের বসতিতে ঢুকে পড়ছিল। ফলে তাদের পাকড়াও না করলে বড় কোনও ঘটনা ঘটে যেতে পারত। মানুষের ক্ষতি হতে পারত।
ভাল্লুকগুলির যা চেহারা এবং এই কালো লোমশ এশিয়াটিক ব্ল্যাক বেয়ারগুলি এতটাই ভয়ংকর হয় যে লোকালয়ে ঢুকলে তারা যে কোনও সময় অঘটন ঘটাতে পারত। সে ঝুঁকি নেয়নি জম্মু কাশ্মীরের বন দফতর।
জম্মু কাশ্মীরের ওয়াইল্ডলাইফ প্রোটেকশন ডিপার্টমেন্ট-এর কর্মীরা সারাদিনের চেষ্টায় ৪ ভাল্লুককে ধরেন। তাদের অবশ্য ধরে রাখা হয়নি। বেশ কিছুটা সময় তাদের পর্যবেক্ষণে রেখে একটা সময়ের পর তাদের নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ক্রমশ কমে যাচ্ছে ভাল্লুকদের থাকার জায়গা। পরিবেশ পরিবর্তনও তাদের ওপর প্রভাব ফেলছে। জম্মু কাশ্মীরে ঠান্ডা বছরে যতদিন থাকে তাও কমেছে। সব মিলিয়ে ভাল্লুকরা তাদের চেনা আস্তানা হারাচ্ছে। পরিবেশ পরিবর্তন তাদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
জঙ্গলে খাবার কমায় তারা লোকালয়ে প্রবেশ করছে খাবারের খোঁজে। যা আবার সাধারণ মানুষের সুরক্ষাকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। শুধু ভাল্লুক বলেই নয়, লেপার্ডরাও লোকালয়ে উৎপাত শুরু করেছে অনেকদিন ধরে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











