পুরীর পর্যটনে নতুন আকর্ষণ, তৈরি হবে আন্তর্জাতিক ক্রুজ টার্মিনাল
সমুদ্রপথে ভ্রমণের আকর্ষণ বাড়ছে দিন দিন। এবার পর্যটকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হতে চলেছে পুরীতে। বদলে যেতে পারে পর্যটনের চেনা ছবি।
সমুদ্রের বুকে বিশাল জাহাজে চড়ে বেড়াতে যাওয়ার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। এবার সেই স্বপ্নপূরণের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠতে পারে ওড়িশার পুরী। জগন্নাথধামের পর্যটন মানচিত্রে বড় পরিবর্তন আনতে সেখানে আন্তর্জাতিক ক্রুজ টার্মিনাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
পুরীতে এক বৈঠকে কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ পরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল জানিয়েছেন এই প্রকল্পের জন্য দেড় হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা করা হয়েছে। ওড়িশা সরকারের সহযোগিতায় কাজটি করবে পারাদ্বীপ বন্দর কর্তৃপক্ষ।
শুধু পুরী নয়, গোটা দেশেই জলপথে পর্যটন বাড়াতে চাইছে কেন্দ্র। ক্রুজ ভারত মিশনের লক্ষ্য ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে ১০ লক্ষ সমুদ্র ক্রুজ যাত্রীকে আকৃষ্ট করা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষেই দেশে সমুদ্র ক্রুজে যাত্রীসংখ্যা ছিল ৪ লক্ষ ৬২ হাজারের বেশি। সে সময় ক্রুজ জাহাজ বন্দরে এসেছে ২১২ বার।
অন্যদিকে পণ্যপরিবহনেও জলপথের ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে মোট পণ্যপরিবহনের প্রায় ৬ শতাংশ উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলপথে হয়। ২০৪৭ সালের মধ্যে তা ১২ শতাংশে নিয়ে যেতে চায় সরকার। এজন্য আর্থিক উৎসাহ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
মন্ত্রীর দাবি এই উদ্যোগগুলির ফলে ৫ লক্ষ ৬০ হাজারের বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমতে পারে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ টন।
এখন দেশের ১৬টি জাতীয় জলপথে ২০টি নদী ক্রুজ রুট চালু রয়েছে। আরও ৫১টি রুট গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ওড়িশায় ১৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ৫ নম্বর জাতীয় জলপথ উন্নয়নের কথাও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এর মাধ্যমে তালচের ও কলিঙ্গনগরের মতো শিল্পাঞ্চলকে পূর্ব উপকূলের বন্দরের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











