লাদাখের ঠান্ডা মরুভূমিতে জাফরানি গন্ধ, শুকনো জমি ভরল বহুমূল্য ফুলের বাহারে
লাদাখের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলনাহীন। কিন্তু এ বড় শুকনো প্রান্তর। সেখানেই শুকনো মরুভূমি মাত্র ১ মাসের ব্যবধানে ভরে উঠল বহুমূল্য ফুলে। ছড়াল জাফরানি সুবাস।
ভারতের অন্যতম শুকনো মরুভূমি। লাদাখের এই শুকনো জমিতে কোনও ফসল হয়না। ঠান্ডা মরুভূমিতে বেড়াতে এসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে উৎফুল্ল হন মানুষ। কিন্তু এখানে মাটি সেভাবে ফসলে ভরে না। যতদূর চোখ যায় এমনই শুকনো জমি ছড়িয়ে আছে লাদাখের স্পিতুক ফারকা এলাকায়।
সেখানেই ৪ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে সরকার এক পদক্ষেপ করে গত ১ অক্টোবর। এই জমিতেই বসানো হয় ৯০ হাজার বিশেষ কন্দ। ইরানের সেরা মানের এই কন্দ জাফরানের জন্ম দেয়। যে ফুল ফোটে তাতেই থাকে বহুমূল্য রেণুটি।
ফুলগুলি মাটি থেকে সামান্যই উপরে হয়। প্রায় মাটি ঘেঁষা। তার থেকে বেরিয়ে থাকে গাঢ় লাল রংয়ের রেণু। ফুলের বাকি অংশের তেমন কদর না থাকলেও এই রেণুর কদর বিশ্বজোড়া। যা লাদাখের এক শুকনো প্রান্তরকে ভরে দিল ফুলে।
এ কন্দ রোপণ করার পর ১ মাসের মধ্যেই শুকনো এই বিশাল জমি ভরেছে ফুলে। জাফরানের ফুলে ভরে উঠেছে চারধার। প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫টি ফুল তো ফুটছেই। মাঝেমধ্যে তার চেয়েও অনেক বেশি ফুলে ভরে উঠছে এই ১ মাসে তৈরি হওয়া বাগান।
ফুল ফুটলে তার থেকে আহরণ করা যাচ্ছে উন্নত মানের জাফরান। এই বহুমূল্য রেণু বিশ্বজুড়ে সমাদৃত মশলা। দামি মশলা হিসাবে জাফরান পরিচিত। যা অনেক রান্নার স্বাদকে মোহময় করে তুলতে পারে নিমেষে। মোগলাই খাবারে জাফরানের ব্যবহার তো সকলের জানা। অনেক রান্নাতেই সামান্য জাফরানের ছোঁয়া অন্য মাত্রায় পৌঁছে দেয় খাবারের স্বাদকে।











