National

ডানা গোটালে শুকনো পাতা, খুললে রঙের বাহার, ছদ্মবেশী পেতে চলেছে বিশেষ পরিচয়

প্রকৃতি যখন ছদ্মবেশী হয়ে ওঠে তখন তা নজর কেড়ে নেয়। এমনই এক ছদ্মবেশী এবার পেতে চলেছে দেশের একটি রাজ্যে গর্বের পরিচয়।

প্রকৃতি নিজেই যে কতটা রহস্যময়। কত যে তার ছদ্মবেশী রূপ তা হয়তো মানুষের পুরোটা জানা নেই। যেমন একটি প্রজাপতি। এ প্রজাপতি আর পাঁচটা সাধারণ প্রজাপতির মত নয়। এরা যখন কোথাও বসে ডানা গুটিয়ে নেয়, তখন দেখতে লাগে শুকনো পাতার মত।

শুকনো পাতা বা গাছের আশপাশে তাদের শুকনো পাতা পড়ে আছে বলেই মনে হবে। কিন্তু সেই প্রজাপতি যখন ডানা মেলে ধরে তখন তার রঙের বাহার চোখ ধাঁধিয়ে দেয়।

সেখানে খেলা করে উজ্জ্বল কমলা রং, গাঢ় কালো রং আর উজ্জ্বল নীলচে বেগুনি রং। এই রংগুলির মিশ্রণে এ প্রজাপতিকে ডানা মেলা অবস্থায় একবার দেখলে তার রূপের বাহারে চোখ সরানো মুশকিল।

এ প্রজাপতির পোশাকি নাম অরেঞ্জ ওকলিফ। যারা ছদ্মবেশী হিসাবেই যথেষ্ট পরিচিত। ছত্তিসগড়ে এই অরেঞ্জ ওকলিফ এক বিশেষ মর্যাদা পেতে চলেছে। ছত্তিসগড়ের প্রথম সরকারি প্রজাপতি হিসাবে নাম ঘোষণা হতে চলেছে এই প্রজাপতির।

সে তকমা পেলে তা এই প্রজাপতিকে আলাদা পরিচিতি দেবে। তবে এই পরিচিত শেষ পর্যন্ত অরেঞ্জ ওকলিফ পাবে কিনা তা ঠিক করবেন সে রাজ্যের বাসিন্দারা। যার জন্য একটি অনলাইন ভোটগ্রহণের আয়োজনও করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত ছত্তিসগড়ে প্রজাপতির নানা ধরণ মিলিয়ে সংখ্যাটা ২০০ পার করেছে। আবার যদি ভারতের সব প্রান্ত মিলিয়ে প্রজাপতির ধরণ বৈচিত্র্যের সংখ্যার দিকে তাকানো যায় তাহলে সে সংখ্যাটা দেড় হাজার পার করেছে।

Show Full Article