বঙ্গোপসাগরে তৈরি নতুন ঘূর্ণিঝড় কবে কোথা দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে, পাওয়া গেল পূর্বাভাস
একটা ঘূর্ণিঝড়ের ধাক্কা পুরোটা কাটিয়ে ওঠার আগেই ফের একটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে চলেছে। কবে কোথা দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে এই ঘূর্ণিঝড়। পূর্বাভাস পাওয়া গেল।
একটা ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসলীলা থেকে এখনও মুক্তি পায়নি অনেক এলাকা। এখনও ভারতীয় সেনার হেলিকপ্টার ত্রাণ সামগ্রি আকাশপথে পৌঁছে দিচ্ছে ওড়িশার বিধ্বস্ত গ্রামে।
এখনও অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার অনেক জায়গায় জনজীবন স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারেনি। তারমধ্যেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হল নতুন ঘূর্ণিঝড়। যা ক্রমে স্থলভাগের দিকে এগিয়ে আসবে।
আবহবিদেরা এই নতুন তৈরি ঘূর্ণিঝড়ের গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করেছেন। এখন সাগরের ওপর ক্রমশ তার শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড়টি। স্থলভাগের দিকে এগিয়ে সেটিরও অন্ধ্রপ্রদেশ দিয়েই স্থলভাগে প্রবেশ করার কথা।
নেল্লোর ও নারসাপুরের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে এই নতুন ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগে প্রবেশ করবে বলে মনে করছেন আবহবিদেরা। আগামী ৩ নভেম্বর সেটি উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে বলেই অনুমান আবহবিদদের।
অর্ণবের মত এটিও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। যখন স্থলভাগে প্রবেশ করবে তখন ঝড়ের গতি থাকতে পারে সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। রবিবার অতি গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়টি জন্ম নিয়েছে বঙ্গোপসাগরে।
এখন সেটি ২৩ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে স্থলভাগের দিকে এগিয়ে আসছে। মঙ্গলবারের মধ্যে ঝড়টি অতি শক্তিধর একটি ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নেবে। ফলে নতুন করে বিধ্বস্ত হওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনতে হচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশের একাংশের মানুষকে।
এই ঘূর্ণিঝড়টি প্রবেশের পর তা কোন দিকে আগুয়ান হয় তার ওপর নির্ভর করবে আর কোন কোন রাজ্য এই নতুন তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের জেরে দিওয়ালীর আগে ভাসতে চলেছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











