বঙ্গোপসাগরে ফের জন্ম নিচ্ছে ঘূর্ণিঝড়, কালীপুজোর আগে কতটা দুর্যোগ অপেক্ষা করছে
বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের ধাক্কা এখনও পুরোটা সামাল দেওয়া যায়নি। তার আগেই ফের সাগরে তৈরি হতে চলেছে একটি ঘূর্ণিঝড়। উৎসবের মুখে চিন্তার ছাপ।
কালীপুজো, দিওয়ালী, ভাইফোঁটা, একের পর এক উৎসবের আবহে মেতে উঠতে আর কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি তুঙ্গে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে আবার জন্ম নিতে চলেছে একটি ঘূর্ণিঝড়। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে এভাবে ২টি ঘূর্ণিঝড় রীতিমত চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে।
দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগরে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কাছে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হতে শুরু করেছিল। সেটা এখন তৈরি হয়ে গেছে। আবহবিদেরা মনে করছেন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেটি ঘূর্ণিঝড়ের আকার নেবে। তারপর তা ক্রমে স্থলভাগের দিকে এগিয়ে যাবে।
সবে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব তার দাপট দেখিয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা তছনছ করে বৃষ্টিতে ভাসিয়েছে। রাজস্থান পর্যন্ত বৃষ্টিতে ভিজিয়েছে। সিকিমে তুষারপাতের কারণ হয়েছে।
অর্ণবের ধাক্কা পুরোটা সামলে ওঠার আগেই ফের নতুন ঘূর্ণিঝড় চিন্তার কারণ হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্যও, প্রশাসনের জন্যও। তার ওপর সামনেই উৎসবমুখর হয়ে উঠবে ভারত। তার আগে এমন দুর্যোগের কথা আরও বেশি চাপের কারণ হয়ে উঠেছে।
এই ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার প্রভাব কতটা পশ্চিমবঙ্গের ওপর পড়বে তা জানতে মুখিয়ে আছেন বাংলার মানুষ। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মত এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ওপর পড়ছে না।
সাধারণভাবে আগামী ৩ দিন রাজ্যের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তার সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের কোনও সম্পর্ক নেই।
বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে চলা ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব মূলত পড়তে চলেছে তামিলনাড়ুতে। পূর্ব উপকূলের কিছু জায়গাতেও বৃষ্টি হবে। তামিলনাড়ুতেও সর্বত্রই যে ভারী বৃষ্টি হবে এমনটা নয়। ভারী থেকে অতি ভারী আবার কোথাও মাঝারি বৃষ্টি হবে দক্ষিণের এই রাজ্যে। নীলগিরি ও তিরুভালুর জেলায় প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











