নীলগিরির জঙ্গলে খোঁজ পাওয়া গেল নতুন সাফাইকর্মীর, পরিস্কার রাখছে গাছের গা
জঙ্গলের গাছ কতটা পরিচ্ছন্ন রয়েছে তার খোঁজ কেউ রাখে না। কিন্তু নীলগিরির জঙ্গলে গাছের গা সাফসুতরো করে রাখছে নজরে না পড়া নতুন সাফাইকর্মীরা।
বাগানের গাছের পরিচর্যা হয়। পার্কেরও হয়। এমনকি কোনও বোটানিক্যাল গার্ডেনের গাছদের দিকেও নজর রাখা হয়। দেখভাল করা হয়। যা মানুষই করে থাকে। কিন্তু গহন পাহাড়ি জঙ্গলের দুর্গমে কত সহস্র গাছ যে রয়েছে তার খবর কে রাখে। সেসব গাছের সাফ সাফাই তো আর মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।
তা বলে নীলগিরির পাহাড়ি জঙ্গলে গাছদের সাফসাফাই আটকে নেই। নিয়মিত নিয়ম করে চলে সাফাই কাজ। এসব গাছের সাফাই যারা করে তাদের প্রায় চোখেই দেখা যায়না। কিন্তু তারা তাদের কাজ করে চলে।
অবশ্য গাছদের সাফাইয়ের কথা ভেবে তারা সাফ করার কাজ করেনা। করে নিজেদের খাদ্য সংগ্রহের তাগিদে। যাতে তাদেরও উপকার হয়। আবার গাছদেরও উপকার হয়।
নীলগিরির এই সব প্রায় অদৃশ্য সাফাইকর্মীরা হল এক ধরনের পতঙ্গ। অতি ক্ষুদ্র পতঙ্গ। যারা গাছের গায়ে থাকা ছাল, পচন ধরা কোনও বস্তু, ছত্রাক খেয়ে বেঁচে থাকে। আর তাদের এই খাদ্য আহরণের তাগিদ গাছদের গা সাফ রাখতেও সাহায্য করছে।
এই পতঙ্গরা বার্কলুজ প্রজাতির হলেও নীলগিরির এই বার্কলুজ পতঙ্গরা এতদিনের চেনা পতঙ্গগুলির চেয়ে আলাদা। তাই এরা নতুন আবিষ্কার।
যারা নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে পশ্চিমঘাট পর্বতমালার দক্ষিণে নীলগিরির জঙ্গলে গাছদের সাফ করে চলেছে নিয়মিত। বিজ্ঞানীরা এই নতুন খোঁজ পাওয়া পতঙ্গদের নাম রেখেছেন অ্যালোকাসিলিয়াস নীলগিরিয়েনসিস।











