National

সোনালি হলুদ শরতে মুড়ল দেশের একাংশ, রাত নামলে কুজন ছড়াচ্ছে পরিযায়ী পাখিরা

বর্ষা শেষ। এবার শরৎকালের সোনালি হলুদ দিন। এমন এক সোনালি হলুদ শরত এলে এখানে রাতে আকাশে ডেকে ওঠে পরিযায়ী পাখিরা।

ধানক্ষেতে টার্টল ডাভরা পড়ে থাকা শস্যদানা খুঁটতে ব্যস্ত। উইলো গাছের ডাল থেকে ভেসে আসছে উচ্চিংড়ের গুঞ্জন। রাতের আকাশ মেতে উঠছে পরিযায়ী পাখিদের ডাকে। সবমিলিয়ে কাশ্মীরে এখন ভরা শরত। এক সোনালি হলুদ শরৎকাল মোহময় করে তুলেছে কাশ্মীরকে। আর সেখানে যে শরৎকাল এসে পড়েছে তার জানান দিচ্ছে এই পরিযায়ী পাখিরা।

কাশ্মীরে এ সময় বাজার ছেয়ে থাকে পদ্মফুলের ডাঁটি বা নাদরু-তে। কৃষকরা আপেল গাছ থেকে আপেল তুলে নিচ্ছেন। আঙুরও তাই। ক্ষেত থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছে ফসল। সেইসব টাটকা আনাজে ভরে গেছে কাশ্মীরের বাজারগুলো।

ভূস্বর্গের আকাশ এখন নীলে ভরা। কোনও ভারী বর্ষা, শিলাবৃষ্টি বা মেঘ ভাঙা বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আছে শুধু শরতের নীল আকাশ। যদিও রোদ চড়লে গরম এখনও ভালই। তবে ভোরের সূর্য ওঠা এই সময় কাশ্মীরের বাসিন্দারা চুটিয়ে উপভোগ করেন। আলতো শীতে মোড়া ভোর তাঁদের কাছে এক মোহময় পাওনা।

দিনটা গরমে কাটলেও কাশ্মীরে এখন সন্ধে নামলে সেখানকার মানুষজন হালকা গরম পোশাক গায়ে দিচ্ছেন। দিতেই হচ্ছে। সন্ধে নামলেই একটা ঠান্ডা ভাব বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে।

রাশিয়ার সাইবেরিয়া, চিন, জাপান, ফিলিপিন্স এবং পূর্ব ইউরোপ থেকে নানাধরনের পাখিরা আসা শুরু করে দিয়েছে। কাশ্মীরের জলাশয়, পাহাড়, গাছপালাই আপাতত তাদের ঠিকানা।

তারা যেখানে থাকে সেখানে শীতের অতি প্রবল ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচতে এরা প্রতিবছর হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে হাজির হয় কাশ্মীরে। এখানে শীত কাটিয়ে ফের ফিরে যায় তাদের আস্তানায়। সব মিলিয়ে কাশ্মীর এখন মেতে উঠেছে শরতের আলতো শীত গায়ে মেখে শীতের প্রস্তুতিতে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article