বন্যাদুর্গতদের জন্য আকাশ থেকে আসা ত্রাণ সামগ্রি কাড়ল জীবন
বন্যাদুর্গতদের জন্য আকাশ থেকে নেমে আসছিল ত্রাণ সামগ্রি। যা তাঁদের জীবনরক্ষা করবে। কিন্তু সেটাই এক ব্যক্তির জীবন কেড়ে নিল।
উৎসবের মুখে বন্যার গ্রাসে বহু মানুষ। বিহারে সারন জেলার একটা বড় অংশ জলের তলায়। গ্রামের পর গ্রাম জলে ভাসছে। বহু জায়গায় আকাশপথে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে যাতে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো যায়। তাঁদের বেঁচে থাকার জন্য আবশ্যিক সামগ্রি তাঁরা হাতে পান।
এখানেই পরশুরামপুর গ্রামে বিকেলে ত্রাণ সামগ্রি নিয়ে হাজির হয় একটি হেলিকপ্টার। হেলিকপ্টার থেকে ত্রাণ সামগ্রি বন্যাদুর্গত এলাকায় ফেলা নতুন কিছু নয়। হেলিকপ্টার থেকে ত্রাণ সামগ্রির প্যাকেট ছুঁড়ে দেওয়া হচ্ছিল বন্যাদুর্গত মানুষদের জন্য। তাঁরা নিচে দাঁড়িয়ে সেই প্যাকেটগুলি সংগ্রহ করছিলেন।
স্থানীয়দের দাবি, সে সময় একটি ত্রাণ সামগ্রির প্যাকেট এসে পড়ে গ্রামেরই এক বাসিন্দার মাথায়। সেই ধাক্কায় তিনি পড়ে যান। পরে তাঁর জীবনাবসান হয়। অভিযোগ ওই ত্রাণ সামগ্রির প্যাকেটের ধাক্কাতেই এই ঘটনা ঘটেছে। ময়নাতদন্তের পরই অবশ্য জীবন যাওয়ার সঠিক কারণ সামনে আসবে।
বিহারের গণ্ডক নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় যে বন্যা পরিস্থিতি ভয়ংকর চেহারা নিয়েছিল তা এখন আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছে। কারণ গণ্ডক নদীর জলস্তর এবার নামতে শুরু করেছে। ফলে আশার আলো দেখছেন বন্যাদুর্গত মানুষজন।
তবে এখনও পরিস্থিতি যথেষ্টই খারাপ। ক্রমে জলস্তর স্বাভাবিক অবস্থায় পৌঁছে গেলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে। সারন জেলাতেও জলস্তর নামতে থাকায় বন্যা পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে।











