দেশের এক রাজ্যে একাধিক হড়পা বানের থাবা, রাতের ঘুম উড়ল পড়শি রাজ্যের
দেশের একটি রাজ্যে প্রকৃতি ক্রমশ বিরূপ আকার নিচ্ছে। একের পর এক হড়পা বান তছনছ শুরু করেছে। যা দেখে রাতের ঘুম উড়েছে পড়শি রাজ্যের।
দেশের একটি রাজ্যে পরপর হড়পা বান থাবা বসাচ্ছে। যার জেরে তটস্থ দিন কাটাচ্ছে তার লাগোয়া রাজ্যটি। হড়পা বানের জন্য নয়, তাদের চিন্তা অন্য। হড়পা বানে যেভাবে জলরাশির দাপট শুরু হয়েছে, তার জের পড়বে নদীগুলিতে। আর সেসব ফুঁসতে থাকা নদীর জল ঝাঁপিয়ে পড়বে পড়শি রাজ্যেও। সেটাই চিন্তার মূল কারণ।
ভারতে এবার এল নিনোর কারণে বর্ষা ঘটতির পূর্বাভাস থাকলেও তা উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সেখানে বর্ষা তার দাপট দেখাবে। বৃষ্টি হবে যথেষ্ট।
অরুণাচল প্রদেশে একের পর এক হড়পা বান তাণ্ডবলীলা দেখিয়েছে। একাধিক গ্রাম ধুয়ে নিয়ে গেছে জলের তোড়। মানুষের প্রাণও কেড়েছে। ৩ জন মানুষের কোনও খোঁজ নেই। জলের তোড়ে তাঁরা ভেসে গেছেন বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অরুণাচলের কেই পানিয়র জেলায় গত ৪৮ ঘণ্টায় অতি প্রবল বৃষ্টির জেরে পাহাড়ি এলাকায় একের পর এক হড়পা বান ঝাঁপিয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় ধস নেমেছে। জাতীয় সড়কের ওপরও ধস নেমে পরিস্থিতি ঘোরাল করেছে। হড়পা বানের জল নেমে এসেছে সমতলেও। অনেক নিচু এলাকা প্লাবিত করেছে।
এই জলের ধাক্কা যে তাদেরও সামাল দিতে হবে তা ভেবে সতর্ক লাগোয়া রাজ্য অসমের প্রশাসন। অসমের একাধিক জেলা বানভাসি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারণ অরুণাচল থেকে ওই বিপুল জলরাশি নদী পথে এসে পৌঁছে অসমেও পরিস্থিতি ঘোরাল করতে চলেছে।
ব্রহ্মপুত্র নদে জলস্ফীতির আশঙ্কা করছেন অসমের প্রশাসনিক কর্তারা। আর সেই জলস্ফীতি যথেষ্ট ঘোরাল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলেই তাঁদের আশঙ্কা।
সেই সঙ্গে ব্রহ্মপুত্রের যে শাখা নদীগুলি অসমে রয়েছে সেগুলিতেও অরুণাচলের এই অতিবৃষ্টির প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা। তাই জল কতটা বাড়ছে, কি পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে, সব দিকে কড়া নজর রেখে চলেছেন তাঁরা। কাজে লাগানো হচ্ছে উপগ্রহ চিত্রও। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











