কৃষিকাজে আর জলাধার থেকে জল দেওয়া হবেনা, জানিয়ে দিল সমুদ্রের পারের রাজ্য
কৃষিকাজে জলসেচের জল সরবরাহ একটি ড্যাম বা জলাধারের অন্যতম কাজ। কিন্তু একটি সমুদ্র পারের রাজ্য সরকারিভাবে জানিয়ে দিল আপাতত ড্যামের জল আর কৃষিকাজে দেওয়া হবেনা।
নদী বাঁধ তৈরি করে ড্যামে জল ধরে রাখার পিছনে থাকে বহুমুখী প্রকল্প। জলবিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে কৃষিতে জলসেচ, মৎস্য চাষ থেকে শুরু করে পানীয় জলের সরবরাহ সচল রাখা, এমন নানা দায়িত্ব পালন করে একটি ড্যাম বা জলাধার।
এবার পশ্চিম উপকূলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্র জানিয়ে দিল তারা আর তাদের রাজ্যের কোনও ড্যামের জল কৃষিকাজে ব্যবহারের জন্য সরবরাহ হতে দেবেনা। ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে বলেও রাজ্যসরকারের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
যে কৃষিকাজে জলসেচ একটি ড্যামের অন্যতম কাজ, সেই জলসেচেই নিষেধাজ্ঞা কেন? এবার মহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত বৃষ্টির তেমন দেখা পাওয়া যায়নি। কেবল পানীয় জল সরবরাহের জন্য যে জলাধারগুলি রয়েছে সেগুলিতে জলধারণ ক্ষমতার মাত্র ২৫ শতাংশ রয়ে গেছে। যা দিয়ে বেশিদিন আর মানুষকে পানীয় জল সরবরাহ করা যাবেনা।
বৃষ্টির জল এই জলাধারগুলিকে পূর্ণ করে। কিন্তু এবার সেই বৃষ্টিরই দেখা নেই। সেই সঙ্গে এল নিনোকে সামনে রেখে এবার মহারাষ্ট্র বলেই নয়, সিংহভাগ ভারতেই স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
এরমধ্যেই খবর এসেছে এল নিনো এখন সক্রিয়। এই অবস্থায় মহারাষ্ট্র সরকার সে রাজ্যের মানুষের পানীয় জলটা আগে সুরক্ষিত করতে চাইছে। আর সেই পানীয় জলের প্রয়োজন মেটানোর জন্য গোদাবরী এবং কৃষ্ণা নদীর অববাহিকার ওপর তৈরি ড্যামগুলির জলের ওপর ভরসা রাখতে চাইছে।
সেই জল তাই আর অন্য কোনও কারণে ব্যবহার না করে তা বাঁচিয়ে রাখাই লক্ষ্য মহারাষ্ট্র সরকারের। তাই কৃষিকাজের প্রয়োজনে যে জল এই ড্যামগুলি থেকে যায় তা সরবরাহ বন্ধ করে পানীয় জলের চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করতে চাইছে সরকার। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











