ডিপো, ইয়ার্ড ফাঁকা করে ৬৮১৩ কোটি টাকা উপার্জনের মাধ্যমে আর্থিক শক্তি বাড়াল ভারতীয় রেল
১ বছরে ৬৮১৩ কোটি টাকা কোষাগারে ভরল ভারতীয় রেল। অবশ্যই এটাকে রেলের বড় সাফল্য বলে মনে করছেন সকলে। যা রেলের আর্থিক শক্তিকেও সমৃদ্ধ করল।
ভারত জুড়ে রেলের অনেক ইয়ার্ড রয়েছে। ডিপো রয়েছে। রয়েছে অনেক কর্মশালাও। সেখানে প্রতিবছর অনেক কিছু জমা হয়। রেলের কাজে লাগে। সেই সঙ্গে অনেক কিছু পুরনো হয়। তার প্রয়োজন হারায়। রেলের সেসব জিনিস জায়গা পায় গুদামে। পড়ে থাকে অবহেলায়। ইয়ার্ড, ডিপোর অনেক জায়গায় ছড়িয়েও পড়ে থাকে।
রেলের আর কাজে আসবে না, কিন্তু রেলের সম্পত্তি হিসাবে পড়ে থাকা এসব জিনিসপত্র বিক্রি করে দিল রেল। আর তা করে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৬ হাজার ৮১৩ কোটি টাকা উপার্জনও করল।
ফেলে দেওয়া অপ্রয়োজনীয় রেলের সম্পত্তি বেচে রেলের এই বিপুল পরিমাণ টাকা পাওয়া ভারতীয় রেলের আর্থিক সক্ষমতাও বাড়াল। আবার এক ঢিলে ২ পাখির মত রেলের ইয়ার্ড, ডিপো, কর্মশালাও ফাঁকা হল। প্রয়োজনীয় জায়গা বার হল।
সেখানকার পরিবেশও দূষণ মুক্ত হল অনেকাংশে। কারণ অব্যবহৃত জিনিস টানা পড়ে থাকলে তা দূষণের জন্ম দেয়। সে জায়গায় এই বিক্রি রেলের পরিবেশ ভাল করল। টাকাও রেলের কোষাগারে এল, আবার রেলের জায়গাও পরিস্কার হল।
গত অর্থবর্ষেও এই একইভাবে রেলের অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বেচে ভারতীয় রেল উপার্জন করেছিল ৬ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা। রেলের আধিকারিকরাও মেনে নিচ্ছেন এই উদ্যোগ কেবল ভারতীয় রেলের অর্থনীতিকে মজবুত করল না, সেই সঙ্গে ফেলে দেওয়ার মত জিনিস সাফ হওয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রেলের জায়গাও ফাঁকা হল। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা












