Sports

ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম সাদা কার্ড দেখালেন রেফারি

ফুটবল ম্যাচে লাল কার্ড বা হলুদ কার্ডের সঙ্গে সকলেই পরিচিত। রেফারির পকেট থেকে কার্ড বার হওয়া মানেই শাস্তি। এবার রেফারির পকেট থেকে বার হল সাদা কার্ড।

ফুটবলের ইতিহাস নেহাত ছোট নয়। বিশ্ব ফুটবলের সেই অতিবিশাল ইতিহাসের পাতায় আর যাই থাক রেফারির সাদা কার্ড দেখানোর কোনও ইতিহাস নেই। ফুটবলে সাদা কার্ড সম্বন্ধে কারও কোনও ধারনাই নেই।

তাই রেফারি যখন পকেট থেকে সাদা কার্ড বার করে দেখান তখন খেলোয়াড়, কর্মকর্তা থেকে গ্যালারিতে থাকা দর্শক, সকলেই মনে করেছিলেন হলুদ বা লাল কার্ড বার করতে গিয়ে ভুল করে একটা সাদা কার্ড বার করে ফেলেছেন রেফারি। কিন্তু ভুল ভাঙতে সময় নেয়নি। সকলেই সামান্য সময়ের মধ্যে বুঝতে পারেন রেফারি বুঝে শুনেই সাদা কার্ড দেখিয়েছেন।

এই সাদা কার্ড দেখানোর ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটেছে পর্তুগালে একটি মহিলা ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন। খেলা চলছিল বেনফিকা এবং স্পোর্টিং লিসবন নামে ২টি মহিলা ফুটবল ক্লাবের মধ্যে। যা পর্তুগালে ডার্বি হিসাবে নেওয়া হয়।

প্রথমার্ধ শেষ হতে তখন সামান্য সময় বাকি। ইতিমধ্যেই এগিয়ে রয়েছে বেনফিকা। এই অবস্থায় গ্যালারিতে এক দর্শক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে সুস্থ করতে দ্রুত সেখানে ছুটে যান ২ দলের সঙ্গে থাকা চিকিৎসক দলের সদস্যরা।

তাঁদের চেষ্টায় ওই দর্শক কিছুটা সুস্থও হয়ে ওঠেন। এটা দেখার পর রেফারি পকেট থেকে সাদা কার্ড বার করে ২ দলের চিকিৎসক দলকে দেখান।

এটা শান্তির প্রতীক হিসাবে দেখানো হয়। স্পোর্টসম্যানশিপ দেখানোর জন্য দেখানো হয়। ফুটবলে সৌহার্দ্যমূলক আচরণে জোর দিতেই এই সাদা কার্ড চালু হয়েছে। যা পর্তুগালের মাঠে প্রথম ব্যবহার করা হল।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button