মাটির তলায় লুকিয়ে থাকা তামা খুঁজতে গিয়ে পাওয়া গেল ডাইনোসর
তামা খুঁজতে গিয়ে ডাইনোসরের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। যেখানে ডাইনোসরের অস্তিত্বের কোনও প্রমাণ ছিলনা সেখানেই মাটির তলা থেকে উঠে এল ডাইনোসরের কাহিনি।
খোঁজ চলছিল তামার। তামা ছাড়া অন্য কোনও ধাতুও পাওয়া যায় কিনা, মাটির গভীরে কোথাও তা জমাট বেঁধে আছে কিনা, তার খোঁজ চালাতে মাটিতে ফুটো করা হয়েছিল। মাটি ফুটো করে মেশিন পৌঁছে গিয়েছিল মাটির অনেক গভীরে।
মাটির দেড় হাজার ফুট নিচ থেকে সেখানকার মাটির নমুনা সংগ্রহ করে মেশিনটি যখন উঠে আসে তখনও গবেষকেরা মনে করছিলেন নমুনায় তামার সন্ধান পাওয়া যেতে পারে।
কিন্তু তামার সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে খালি হাতে ফিরতেও হয়নি গবেষকদের। কারণ তাঁরা যা পেলেন তা হয়তো তামা পাওয়ার চেয়েও অনেক বড় প্রাপ্তি।
মাটির তলা থেকে তুলে আনা নমুনা পরীক্ষা করে কার্যত হতবাক হয়ে যান গবেষকেরা। কারণ মাটির দেড় হাজার ফুট নিচের মাটিতে পাওয়া যায় ডাইনোসরের জীবাশ্ম। যার বয়স হিসাব করে দেখা যায় সাড়ে ১১ কোটি বছর।
তার মানে সাড়ে ১১ কোটি বছর আগে চিনের ওই এলাকায় ডাইনোসররা ঘুরে বেড়াত। চিনের ইনার মঙ্গোলিয়া এলাকায় আগে কখনও কোনও ডাইনোসরের অস্তিত্বের কথা জানা যায়নি। এই প্রথম জানা গেল। তাও আবার ডাইনোসরের খোঁজ করতে গিয়ে নয়।
তামার খোঁজ করতে গিয়ে একরকম আচমকাই পাওয়া গেল ডাইনোসরের জীবাশ্ম। মাটির দেড় হাজার ফুট নিচে ডাইনোসরের জীবাশ্ম যে থাকতে পারে সেটাই কল্পনার বাইরে ছিল বিজ্ঞানীদের।
তবে এই খোঁজ ওই অঞ্চলের প্রাণিজগতের ইতিহাসটাই বদলে দিল বলে মনে করা হচ্ছে। এখানে যে একসময় ডাইনোসরও ঘুরে বেড়াত তা এবার জানা গেল।
যাঁরা ডাইনোসরের খোঁজ করেন তাঁরা মাটির উপরিস্তরে কোটি কোটি বছর পুরনো মাটি পাথর থাকা এলাকাগুলি বেছে বেছে খোঁজ চালান। অনেক ক্ষেত্রে সফলও হন। কিন্তু মাটির দেড় হাজার ফুট তলাতেও যে ডাইনোসরের কাহিনি লুকিয়ে থাকতে পারে তা এবার জানা গেল।











