হাতে কম্পিউটার কিবোর্ডের ট্যাটু করালেন এক মা, পিছনে রয়েছে হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া উদ্দেশ্য
এখন ট্যাটু একটা ফ্যাশন। অনেকেই শরীরের বিভিন্ন অংশে ট্যাটু করান। এক মা তাঁর হাতে ট্যাটু করালেন। ট্যাটুটি একটি কম্পিউটারের কিবোর্ড।
ছেলের বয়স ১১। ছেলেকে নিয়ে মাঝে মাঝে খেতে বার হন মা। এমনই একদিন তিনি ছেলেকে নিয়ে খেতে গেছেন। কিন্তু দোকানে অর্ডার দেওয়ার আগেই দেখা যায় তাঁর সঙ্গে থাকা ট্যাবের ব্যাটারি শেষ হয়ে গেছে। ফলে ট্যাবে কোনও কাজ করা অসম্ভব।
আবার ছেলেও সেখানেই লিখে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে। কারণ ওই বালক অটিস্টিক। সে কথাও বলতে পারেনা। লিখে সে তার মনের কথা জানায়। ইচ্ছার কথা জানায়। তার যা বলার সে লিখে দেয় ট্যাবে।
সেদিন ট্যাবের ব্যাটারি চলে যাওয়ায় সে কি খেতে চায় তা ওই বালক দোকানের একটি ন্যাপকিন নিয়ে তাতে অক্ষর লিখে জানায়। এটা দেখার পর তার মা বুঝতে পারেন তাঁর সন্তানের যাতে কোনও সময় কোনও সমস্যা না হয় তার জন্য কেবল ট্যাব নয়, অন্য উপায়ও নিশ্চিত করতে হবে।
সেই ভাবনা থেকেই জেসিকা নামে ওই মহিলা ট্যাটু আর্টিস্টের কাছে গিয়ে অভিনব এক ট্যাটু আঁকেন হাতে। যেখানে ট্যাটুতে ফুটে ওঠে একটি কম্পিউটার কিবোর্ড।
ট্যাবের ব্যাটারি শেষ হতে পারে, কিন্তু হাতে আঁকা কিবোর্ড তো আর হারিয়ে যাবেনা। বন্ধও হবেনা। তাঁর বিশেষভাবে সক্ষম ছেলে হান্টারের কথা ভেবে কোনও সৌন্দর্যের তোয়াক্কা না করে এক মায়ের এই প্রচেষ্টা গোটা বিশ্বের নজর কেড়ে নিয়েছে।
ছুঁয়ে গেছে সকলের হৃদয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন ফেলা এই ঘটনা আমেরিকার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তো বটেই তার সঙ্গে বিশ্বের তাবড় সংবাদমাধ্যমেও সকলের নজর কেড়ে নিয়েছে।













