Foodie

গ্রাহকের অভিযোগের ঝাঁঝে জন্ম নিয়েছিল জনপ্রিয় চিকেন টিক্কা মশালা

চিকেন টিক্কা মশালা এমন এক পদ যা সারা বিশ্বের মানুষই কম বেশি জানেন। এই সুস্বাদু পদের জন্ম বৃত্তান্ত কিন্তু বেশ চমকপ্রদ।

চিকেন টিক্কা মশালার জন্ম কোন দেশে? অনেকের হয়তো জানা। চিকেন টিক্কা মশালা জন্ম নিয়েছিল স্কটল্যান্ডে। তবে তার জন্ম হয়েছিল এক পাকিস্তানি বংশোদ্ভূতের হাত ধরে। সেটাও হতনা যদি না তাঁকে এক গ্রাহকের মুখে কথা শুনতে না হত।

১৯৬৪ সালে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে শিশমহল নামে একটি রেস্তোরাঁ খোলেন আলি আহমেদ আসলাম। রেস্তোরাঁটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়। সেখানে চিকেন টিক্কা গ্রাহকদের খাওয়ানো হত।

১৯৭০ সালে এক গ্রাহক চিকেন টিক্কার অর্ডার দেন। কিন্তু খেতে গিয়ে তাঁর মনে হয় এটি খুবই শুকনো একটি খাবার। তিনি অভিযোগ জানান এত শুকনো খাবার খাওয়া যায় নাকি! বিষয়টি রেস্তোরাঁর জন্মদাতা আলির নজরে আসে।

আলি ভাবনা চিন্তা শুরু করেন। তারপর চিকেন টিক্কার সঙ্গে যোগ করেন দই, ক্রিম ও মশলার একটি মিশ্রণ। সেটি দিয়ে চিকেন টিক্কা রান্না করে দেখেন সেটা সকলের ভাল লাগে কিনা!

যেহেতু সাহেবরা ঝাল খেতে পছন্দ করেননা, তাই তিনি চিকেন টিক্কার সঙ্গে ক্রিম ও দইয়ের মিশ্রণ যোগ করেন। অচিরেই চিকেন টিক্কা মশালা রূপে হাজির হয় নতুন ডিশ। আর তা জনপ্রিয় হতে সময় নেয়নি। হুহু করে ছড়িয়ে পড়ে এর জিভে জল আনা স্বাদের কথা।

স্কটল্যান্ডে তারপর থেকে চিকেন টিক্কা মশালা এক অন্যতম জনপ্রিয় খাবার। একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে ব্রিটেনের জাতীয় খাবার বলে চিকেন টিক্কা মশালাকে ঘোষণা করেন ব্রিটেনের তৎকালীন বিদেশ সচিব রবিন কুক।

দেখা গেছে চিনা একটি খাবারের পরই ব্রিটেনে সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার হল চিকেন টিক্কা মশালা। যার জন্মদাতা আলি আহমেদ আসলামের মৃত্যু হল গ্লাসগোতে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button