পশ্চিম এশিয়ার জন্য ধুঁকছে ভারতের ডাবের বাজার, হাতের বাইরে যাচ্ছে বিদেশে বিক্রি
ভারতীয় ডাবের একটা চাহিদা রয়েছে। আর তা পোলাচির ডাব হলে তো কথাই নেই। সেই পোলাচির ডাবের রমরমা ব্যবসা এবার ধুঁকছে।
হরমুজ প্রণালী ব্যবহার প্রায় বন্ধ। ফলে ঘুরপথে অন্য জলপথ বেছে সেখান দিয়ে জাহাজ নিয়ে যেতে হচ্ছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই জাহাজ সংস্থাগুলি মোটা টাকা দাবি করছে পণ্যপরিবহনের জন্য।
ভারতের কোয়েম্বাটুরের পোলাচি-র ডাব আবার সারা বিশ্বে বিখ্যাত। ইউরোপ জুড়ে পোলাচির ডাবের বড় চাহিদা। এছাড়া কোমল সুন্দর পোলাচি ডাবের সুমিষ্ট জল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির মানুষের কাছেও বড় প্রিয়।
কিন্তু এই ২ জায়গাতেই পোলাচির ডাব পাঠানো যাচ্ছেনা বললেই চলে। পোলাচির ৮৬ হাজার ৮০০ হেক্টর এলাকা জুড়ে ডাব চাষ হয়। যে ডাব দেশিয় বাজারে কম, বিদেশি বাজারে বেশি রফতানি হয়। যা লাভজনকও।
পোলাচি-র ডাব ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আমেরিকার দেশগুলিতে রফতানি হয়। সেই ডাব হরমুজ দিয়ে যেতে পারছেনা। সুয়েজ ক্যানাল দিয়ে খুব আস্তে যাচ্ছে। অনেক জাহাজ রুট বদলে অনেক ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছচ্ছে। যা দীর্ঘ সময় লাগিয়ে দিচ্ছে।
কিন্তু পোলাচির এই ডাবের একটা আয়ু আছে। ১ সপ্তাহ ঠিক থাকলেও তারপর তা নষ্ট হতে শুরু করে। দীর্ঘসময় লেগে গেলে ডাব অন্য দেশে গিয়ে যতক্ষণে পৌঁছবে, ততক্ষণে ডাবের স্বাদ নষ্ট হবে।
গত ২ মাস ধরে পশ্চিম এশিয়ার সংকটে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে এই পোলাচির ডাব রফতানি। অধিকাংশ অর্ডার বাতিল হয়েছে। ফলে মাথায় হাত ডাব চাষিদের।
পোলাচিতে উৎপাদিত ডাব এখন তাই দেশিয় বাজারেই ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন চাষিরা। ভারতে ডাবের চাহিদা কম নয়। ফলে বিক্রি হচ্ছে। দাম ঘুরছে ডাব পিছু ৫০ থেকে ৬০ টাকা। তবে বিদেশের বাজারে বিক্রি করে যে মুনাফা ঘরে তোলা যায় তা যে হচ্ছেনা তা পোলাচির ডাব চাষিরা বুঝতেই পারছেন। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা














