প্রায় বিলুপ্ত হরিণের দেখা পাওয়া গেল, প্রকৃতির মাঝে তাদের দেখে আপ্লুত বিশেষজ্ঞেরা
প্রকৃতির বুকে এই প্রজাতির হরিণের সংখ্যা হাতে গুনে বলে দেওয়া যায়। বিলুপ্তির দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা এই হরিণের দেখা পেয়ে আপ্লুত বিশেষজ্ঞেরা।
বেশ বড়সড়ই চেহারা। রং বাদামি। সেই বাদামি চামড়ার ওপর বেশ ফাঁক ফাঁক করে পেট থেকে গোল করে পিঠ হয়ে ফের উল্টো দিকে পেট পর্যন্ত নেমে আসা সাদা ডোরা। অনেকটা ছাড়া ছাড়া ডোরা। ডোরাগুলোও শরীরের তুলনায় সরু। ফলে কয়েকটিই ডোরা থাকে দেহে।
কান বেশ বড়। খাড়া খাড়া শিং। হরিণ বললে সাধারণভাবে যে চেহারা চোখের সামনে ফুটে ওঠে এ হরিণ তার চেয়ে অনেকটাই মোটাসোটা চেহারার। এদের বলা হয় মাউন্টেন বোঙ্গো।
হরিণের এই প্রজাতি এখন সারা পৃথিবী মিলিয়ে প্রকৃতির মাঝে ১০০টিরও কম রয়েছে। বিশেষজ্ঞেরাও মেনে নিচ্ছেন এভাবে চললে এ হরিণ বিলুপ্ত হওয়া কেবল সময়ের অপেক্ষা।
তেমনই একটি মাউন্টেন বোঙ্গো হরিণের দেখা পাওয়া গেল কেনিয়ার মাসাই মাউ জঙ্গলে। এ জঙ্গলে এদের আগে দেখা পাওয়া যায়নি। এই প্রথম দেখতে পাওয়া গেল।
মাউন্টেন বোঙ্গো হরিণ প্রকৃতির বুকে যত আছে তার চেয়ে বেশি আছে ইউরোপের চিড়িয়াখানায়। সেখানে তাদের রক্ষা করার চেষ্টা চলছে। তবে প্রকৃতির বুক থেকে হারিয়ে যাওয়াটা কখনওই কাম্য নয়।
তাই মাউন্টেন বোঙ্গো হরিণকে প্রকৃতির বুকে বাঁচিয়ে রাখা, তাদের বংশবৃদ্ধিতে সহায়তা করতে সব চেষ্টা করতে প্রস্তুত বিশেষজ্ঞেরা। তাই কেনিয়ার জঙ্গলে এই হরিণের দেখা পেয়ে আপ্লুত তাঁরা।
কেনিয়ার জঙ্গলে এই হরিণের দেখা পাওয়া তাঁদের মনে নতুন আশার আলোর সঞ্চার করেছে। এই জঙ্গলে মাউন্টেন বোঙ্গার সংখ্যাবৃদ্ধির আশা করছেন বিশেষজ্ঞেরা।










