Let’s Go

আদালতে মামলা চললে এ মন্দিরে ১ টাকার পুজো দিয়ে ন্যায়বিচার চান ভক্তরা

আদালতে অনেকের নানা কারণে মামলা চলে। তেমন মামলা চললে অনেকে এ মন্দিরে এসে হাজির হন। পুজো দেন ১ টাকার। এ মন্দির ন্যায়ের মন্দির হিসাবেই পরিচিত।

ভারতে অসংখ্য মন্দির রয়েছে। তারমধ্যে বেশ কয়েকটি মন্দিরের নাম প্রায় সকলের জানা। কিছু মন্দির স্থানীয়ভাবে পরিচিত। এসব মন্দিরে যে বিগ্রহ অধিষ্ঠিত তাঁদেরও প্রায় সকলেই চেনেন। সে ভগবান শিবের মন্দির হতে পারে, মা কালীর মন্দির হতে পারে, মা দুর্গার মন্দির হতে পারে, অম্বে মাতার মন্দির হতে পারে, মা শেরাবালীর মন্দির হতে পারে।

কিন্তু এই ভারতেই এমন এক মন্দির রয়েছে যেখানকার বিগ্রহ চেনা নন। এখানে যে দেবতা প্রতিষ্ঠিত তাঁর নাম মহাসু।

উত্তরাখণ্ডের এই মন্দিরের সৌন্দর্যও নেহাত কম নয়। অপরূপ স্থাপত্যে তৈরি এই মন্দির সকলের কাছে পরিচিত ন্যায়ের মন্দির হিসাবে।

মহাসু নামের এই বিগ্রহকে অনেকে মনে করেন ভগবান শিবের অবতার। মন্দিরে বিরাজ করছেন ৪ মহাসু। বাশিক মহাসু, পাওয়াসি মহাসু, বৌঠা মহাসু এবং চালদা মহাসু।

উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনের হানল এলাকার তুনি-মোরি রাস্তার ওপর এই মন্দির অবস্থিত। যা জৌনসার বাওয়ার নামে পরিচিত। এই জৌনসার বাওয়ারেই রয়েছে এই ৪ মহাসুর জন্য ছোট ছোট মন্দির।

মহাসু দেবতার মন্দিরে কিন্তু সারা বছরই ভক্তের ঢল নামে। লক্ষ লক্ষ মানুষ এই মহাসু দেবতার মন্দির দর্শন করতে ছুটে আসেন বহু দূর থেকে। মনে করা হয় যাঁদের মামলা চলছে তাঁরা এখানে ১ টাকা দিয়ে পুজো দিয়ে মন দিয়ে ন্যায় বিচার চাইলে তাঁরা আদালতে ন্যায় বিচার পান। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button