Let’s Go

পৃথিবী কবে শেষ হবে, প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে দেশেরই এক গুহায়

পৃথিবী কবে শেষ হয়ে যাবে, এ প্রশ্ন অনেকের মনে লুকিয়ে আছে। উত্তর লেখা আছে আমাদের দেশেরই একটি গুহায়। কিন্তু সেখানে পৌঁছনোটাই একটা বড় ব্যাপার।

এই পৃথিবী একদিন তো শেষ হবে। কিন্তু সেটা কবে? কীভাবেই বা শেষ হয়ে যাবে এই সুন্দর পৃথিবী? এ প্রশ্ন বহু মানুষের মনেই লুকিয়ে আছে। যার উত্তর বিজ্ঞানীদেরও সঠিকভাবে জানা নেই। কিন্তু ভারতেই এমন এক মন্দির রয়েছে যেখানে নাকি লেখা রয়েছে পৃথিবী কবে শেষ হবে।

ভক্তরা এটা মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন। তাঁদের বিশ্বাস উত্তরাখণ্ডের কুমায়ুনের পিথোরাগড়ের রহস্যে মোড়া গুহা মন্দিরে পৃথিবী কবে এবং কীভাবে শেষ হবে তা পাথরের গায়ে লেখা রয়েছে।

সেখানে ওই লিপির পাঠোদ্ধার করতে পারলেই সব রহস্য উন্মোচন হবে। কিন্তু সেখানে পৌঁছনোটাই একটা বড় ব্যাপার। যা রয়েছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকেও ৯০ ফুট নিচে। একটি পাহাড়ের নিচে লুকিয়ে আছে সেই প্রস্তরখণ্ড যাতে বিস্তারিতভাবে লেখা আছে কবে পৃথিবী শেষ হবে এবং কেন হবে।

পিথোরাগড়ের পাতাল ভুবনেশ্বর গুহা তাই আজও রহস্যে মোড়া। সূর্য বংশের রাজা ঋতুপর্ণ এই মন্দির আবিষ্কার করেন বলে কথিত আছে। যিনি ত্রেতাযুগে অযোধ্যায় রাজত্ব করতেন। ছিলেন ভগবান শিবের এক পরম ভক্ত।

এই পাতাল ভুবনেশ্বর গুহা মন্দিরে প্রবেশ করাটাই কঠিন কাজ। এতটাই সরু পথ ধরে এগোতে হয়। গুহার মধ্যে ১৮০ ধাপ নেমে তবে পৌঁছনো যায় একটি ঘরে। সেখানে রয়েছে ৩৩ হাজার দেবদেবীর মূর্তি।

এই পর্যন্ত পৌঁছতে বেশ কয়েক জায়গায় প্রবল অন্ধকার পেতে হয়। তার মধ্যে দিয়েই পাতালে প্রবেশ করতে হবে। পুরো গুহাটি লাইমস্টোনের।

গুহা গাত্রে রয়েছে অনেক খোদাই করা কারুকার্য। রয়েছে ব্রহ্মার বাহন রাজহাঁস। এই পাতাল ভুবনেশ্বরেই লুকিয়ে আছে সেই পাথর যেখানে লেখা রয়েছে পৃথিবী কবে শেষ হবে। এমনই বিশ্বাস ভক্তদের। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button