এলপিজি লাগবেনা, ১ হাজার পরিবারের রান্নার জন্য হল নতুন ব্যবস্থা
এখন পশ্চিম এশিয়ার কারণে এমনিতেই এলপিজি নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। সেই অবস্থায় ১ হাজার পরিবারকে স্বস্তি দিয়ে সেখানে রান্নার জন্য করা হল নতুন ব্যবস্থা।
রান্নার গ্যাস নিয়ে দেশজুড়েই সাধারণ মানুষের চিন্তার ভাঁজ পুরু হচ্ছে। পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফেরার নাম নিচ্ছে না। কবে সেখানে সবকিছু স্বাভাবিক হবে তাও পরিস্কার নয়। এই অশান্ত পরিবেশের বড় প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেল ও রান্নার গ্যাস সরবরাহে।
এসব চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে চলেছে ১ হাজার পরিবার। ১ হাজার আদিবাসী পরিবার যাঁরা গুজরাটের স্ট্যাচু অফ ইউনিটি-র আশপাশে বসবাস করেন, তাঁদের রান্নার গ্যাসের জন্য আর চিন্তা করতে হবেনা। এসব আর প্রয়োজনই নেই তাঁদের।
১ বছর আগে একতা নগর এলাকায় ন্যাশনাল ইউনিটি ডে উপলক্ষে একটি পদযাত্রার আয়োজন হয়েছিল। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই নতুন প্রকল্পের কথা জানিয়েছিলেন। সেই প্রকল্প এখন তার অন্তিম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।
আদিবাসী অধ্যুষিত ৮৯টি গ্রামে এই প্রকল্প এখানকার মহিলাদের সবচেয়ে বেশি সুবিধা করছে। এখানে ৬৬৫টি বায়োগ্যাস প্লান্ট বসে গেছে। এই প্লান্টে যে বায়োগ্যাস উৎপাদন হবে তা এই ঘরগুলিতে পৌঁছে যাবে। তাতেই হবে বাড়ির যাবতীয় রান্না। এজন্য আর গ্যাস সিলিন্ডার লাগবেনা। জৈব বর্জ্য কাজে লাগিয়ে এই গ্যাস তৈরি হবে প্লান্টগুলিতে।
নর্মদা জেলার এই বায়োগ্যাস তৈরির প্রকল্পের সব খরচ বহন করেছে সরকার। কেবল এজন্য যে মাটি খোঁড়ার দরকার পড়েছে তা এই বায়োগ্যাস থেকে উপকৃত পরবারের সদস্যদের কায়িক পরিশ্রম প্রদান করে খুঁড়তে হয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











