এক যুবকের সঙ্গে প্রেম, অন্য যুবক এল বিয়ে করতে, মোক্ষম কাজটি করলেন কনে
এক যুবকের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ে ঠিক হয়। কিন্তু বিয়ের সময় দেখা যায় বিয়ে করছেন অন্য যুবক। বিষয়টি নজরে পড়তেই মোক্ষম কাজ করলেন কনে।
তাঁদের পরিচয় সমাজ মাধ্যমের হাত ধরে। সেখানেই আলাপ। তারপর ক্রমে নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফোনে কথা হতে থাকে ২ জনের। ২ জনেই একসময় স্থির করেন তাঁরা বিয়ে করবেন।
প্রথমে প্রেম, তারপর বিয়ের স্থির, এখনও পর্যন্ত কোথাও কোনও নজর কাড়ার মত কিছু ঘটেনি। ফোনে দীর্ঘ কথাবার্তা তাঁদের প্রেমকে বিয়ের পিঁড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিলেও তাঁদের বিয়ে পরিবারের তরফ থেকেই দেওয়া হচ্ছিল। বরের বাড়ি থেকে বিয়ের জন্য বরের সঙ্গে আসা মানুষজনের হোটেলে থাকার ব্যবস্থাও করে দেয় কনের পরিবার।
বিয়ের দিন বিয়ের আচার অনুষ্ঠান চলছিল। এই সময় কনের নজর যায় বরের দিকে। তখনই তাঁর সন্দেহ হয়। এরপর ভাল করে দেখে কনে রেগে ওঠেন। তাঁর দাবি তিনি এতদিন যার সঙ্গে প্রেম করলেন, যাকে বিয়ে করবেন বলে স্থির করলেন, যে বর বেশে বসে আছে সে সেই ব্যক্তি নয়।
তরুণী রাহুল নামে এক যুবকের সঙ্গে কথা বলতেন। তাকে বিয়ে করবেন বলে স্থির করেছিলেন। কিন্তু যার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হচ্ছে তিনি রাহুল নয়, দেবেন্দ্র।
বরও নিজের পরিচয় দেবেন্দ্র বলেই দিয়েছিল। সে এটাও দাবি করে তার সঙ্গেই এতদিন প্রেম করেছেন ওই তরুণী। কিন্তু তরুণী বিয়েতে না করে দেওয়ার পর ২ পরিবারের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়। যা হাতাহাতিতে গড়ায়। অবশেষে দেবেন্দ্রকে কনের বাড়ির লোকজন এতটাই মারধর করেন যে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের হরদোই শহরে।











