প্রাগৈতিহাসিক গুহাচিত্র রক্ষা করতে গিয়ে মৌমাছি দিয়ে ঘেরাও ভারতীয় গবেষকেরা
অতিপ্রাচীন এক গুহায় ঢুকে প্রাগৈতিহাসিক গুহাচিত্র নিয়ে গবেষণার কাজ করছিলেন কয়েকজন ভারতীয় গবেষক। সে সময় বিশাল মৌচাকের নিচে ঘেরাও হয়ে যান তাঁরা।
এ এক প্রাচীন গুহা। যার ভিতর রয়েছে অনেক গুহাচিত্র। এই গুহাচিত্রগুলি প্রাগৈতিহাসিক সময়ের। ছত্তিসগড়ের রায়গড় জেলার সিংঘনপুর গুহা একটি পর্যটক আকর্ষণ। এখানে অনেকেই বেড়াতে আসেন।
এই গুহার ভিতরেই রয়েছে একটি ঘেরা জায়গা। যেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষেধ। সেখানে কেবল গবেষক, শিক্ষাবিদরা অনুমতি সাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারেন।
কারণ সেখানেই রয়েছে অনেকগুলি গুহাচিত্র। যেগুলি প্রাগৈতিহাসিক সময়ের। সেই গুহাচিত্রগুলি নিয়ে গবেষণা করতেই সেখানে পৌঁছেছিলেন একদল গবেষক। তাঁরা ওই গুহাচিত্রে ব্যবহৃত রং নিয়ে নানা পরীক্ষার কাজ করছিলেন।
গুহার ভিতরে যেখানে তাঁরা কাজ করছিলেন তার মাথার কাছেই ছিল একটি বিশাল মৌচাক। কোনও কারণে গবেষকদের সেখানে কাজ করাটা মৌমাছিদের পছন্দ হয়নি। সেই মৌচাক থেকে আচমকাই হাজার হাজার মৌমাছি বেরিয়ে এসে মুহুর্তে গবেষকদের দলকে ঘিরে ধরে।
গুহার মধ্যে তাঁদের তখন দ্রুত পালানোর পথও নেই। এদিকে শুধু ঘিরে ধরা নয়, হুলও ফোটাতে শুরু করে মৌমাছিরা। হুলের যন্ত্রণা এবং আতঙ্ক নিয়ে কোনওক্রমে সেই গুহা থেকে বেরিয়ে আসেন গবেষকরা। যদিও তারমধ্যেই তাঁরা হুলবিদ্ধ হয়ে যথেষ্ট আহত।
খবর পেয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীরা এবং স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত সেখানে হাজির হয়। তারাই গবেষকদের সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। হুল ফুটে যাওয়ায় গবেষক দলের সকলেরই শরীরের নানা জায়গা ফুলে ওঠে। যন্ত্রণা হতে থাকে। কয়েকজনের দেহে অ্যালার্জিও দেখা দেয়। দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা শুরু হয়। গবেষকেরা সকলেই এখন বিপদমুক্ত। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











