তিনসুকিয়ার গ্রামে নজর কাড়ল মরচে পড়া ধাতব বস্তু, বাড়িঘর ফাঁকা করে দিল সেনা
গ্রামটি জনবহুল। অনেক মানুষের বাস। সেখানেই নজর কাড়ল একটি অচেনা ধাতব বস্তু। যার গায়ে মরচে পড়া। খবর পেয়েই এলাকা ফাঁকা করল সেনা।
গ্রামে এ বস্তুটি আগে কেউ দেখেননি। যখন তা মাটির মধ্যে নজর কাড়ল, তখন তো সকলে অবাক। কি ওটা? গায়ে মরচে পড়া। বোঝাই যাচ্ছে বহু পুরনো কিছু। কয়েকজন গ্রামবাসীর সন্দেহ হয়। স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টি জানতে পারে।
দ্রুত খবর দেওয়া হয় সেনাকে। সেনার আধিকারিকরা সেখানে হাজির হয়ে ধাতব বস্তুটি খতিয়ে দেখার পর তাঁদের অবশ্য বুঝতে অসুবিধা হয়নি সেটা কি।
দ্রুত পুরো চত্বর ঘিরে ফেলা হয়। জনবহুল এলাকা হওয়ায় মানুষজনকে সেখান থেকে দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেক বাড়ি ফাঁকা করেও বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সুরক্ষিত স্থানে।
১২ ইঞ্চি লম্বা যে বস্তুটি প্রথমে গ্রামবাসীদের নজর কেড়েছিল সেটি আদপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের একটি না ফাটা বোমা। যা সে সময় এ গ্রামে এসে পড়েছিল ঠিকই, কিন্তু ফাটেনি।
ওটা যে বোমা সে খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে অসমের তিনসুকিয়া জেলার লিডুর লেখাপানী এলাকায়। সেনার তরফে বিশেষজ্ঞদের খবর দেওয়া হয়। তাঁরা এসে বোমাটি প্রথমে সেখান থেকে তুলে নেন। কারণ সেটি নিষ্ক্রিয় করার সময় যদি ফাটে তাহলে বড় ক্ষতি হতে পারত গোটা চত্বরের।
বোমাটিকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এমন জায়গায় যেখানে ক্ষতির সম্ভাবনা প্রায় নেই। সেখানে অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত উপায়ে সেটিকে নিষ্ক্রিয় করেন বিশেষজ্ঞেরা। প্রসঙ্গত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভারতের উত্তরপূর্ব ভাগ একাধিক কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হয়ে উঠেছিল।












