বিয়েতে নতুনত্ব খুঁজতে শেষপর্যন্ত শ্মশানে হল ধুমধাম করে বিয়ে, তুঙ্গে চর্চা
এখন বিয়ের ক্ষেত্রে একটি শব্দ প্রায়ই শোনা যায়, ডেসটিনেশন ওয়েডিং। সেই গন্তব্য যে শ্মশানও হতে পারে সেটা এবার দেখল গোটা দেশ।
বিয়ে এখন অনেকের কাছেই নিছক প্রথা মেনে মালাবদল, সাতপাক নয়। এখন বিয়ে মানে একটা এমন কিছু যা বেশ চমকপ্রদ হবে। ডেসটিনেশন ওয়েডিং সেই ইচ্ছাকে বাস্তব রূপ দেয়। তাই অনেকেই মেয়ের বাড়ি, ছেলের বাড়ি বা অনুষ্ঠান বাড়ির জায়গায় বেছে নেন এমন কোনও জায়গা যেখানে বিয়ের একটা অন্য অনুভূতি থেকে যায়।
পকেটের ক্ষমতা বুঝে কেউ যান বিদেশে, কেউ যান জঙ্গলে, কেউ পাহাড়ে আবার কেউ পুরনো কেল্লায় বিয়ে সারেন। তবে গাজিয়াবাদের এক যুবক যুবতী বিয়ের জন্য যে ডেসটিনেশন বা গন্তব্য বেছে নিলেন তা সারা দেশের নজর কেড়ে নিয়েছে।
উত্তরাখণ্ডের জিম করবেট জাতীয় উদ্যানের পাশে মারচুলা নামে জায়গাটি পাহাড়ি। রামগঙ্গা ও বাদানগড় নদী ২টি এখানে একসঙ্গে মিশে গেছে। সেখানে নদীর ধারেই একটি জায়গায় মণ্ডপ সাজিয়ে গান বাজিয়ে ধুমধাম করে হল বিয়ে। উপস্থিত ছিলেন ২ পরিবারের সদস্যরা।
কিন্তু যে জায়গায় এই বিয়ে হল, মন্ত্র পড়ে বিয়ে হল, মালাবদল হল, সেই জমিটি আদপে শ্মশান। শ্মশান ভূমিতে বিয়ে! যে রিসর্ট এই শ্মশানে বিয়ের আয়োজনের দায়িত্ব পালন করেছে তারা অবশ্য নিজেদের ওপর থেকে সব দায়িত্ব ঝেড়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছে বিয়ের জন্য ওই জায়গা পছন্দ করেছিলেন পাত্রপাত্রীই। তারা কেবল আয়োজনটা করে দিয়েছে।
কিন্তু স্থানীয়রা এটা খুব একটা ভাল নজরে দেখছেন না। শ্মশানের এক অন্যই পবিত্রতা থাকে। আধ্যাত্মিক তাৎপর্য থাকে। সেখানে বিয়ের আয়োজন কীভাবে সম্ভব সেটা নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচনার ঝড় উঠেছে দেশজুড়েই। শ্মশানে বিয়ে করা কি যায়? এ নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম না থাকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।














