অ্যান্টার্কটিকার বরফের তলায় হলুদ পদার্থের খোঁজ বুঝিয়ে দিল চিরকাল এখানে বরফ ছিলনা
কুমেরু বা অ্যান্টার্কটিকা কি চিরদিনই এমন পুরু বরফের চাদরে ঢাকা ছিল। প্রশ্ন তুলে দিল এখানে বরফের অনেক তলা থেকে পাওয়া হলুদ পদার্থ।
কুমেরু বা অ্যান্টার্কটিকা সম্বন্ধে সকলেরই জানা। বরফের রাজ্য। পৃথিবীর ২ প্রান্তের একটি প্রান্ত কুমেরু। যা অতি পুরু বরফের চাদরে ঢাকা। যতদূর চোখ যায় শুধু বরফ আর বরফ।
বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে কুমেরুর বহুকাল ধরে জমে থাকা বরফ এবার গলছে বলে যে রিপোর্ট সামনে আসে তা চিন্তার কারণ হয় বিশ্ববাসীর জন্য। কুমেরু এবং সুমেরু মানেই বরফের অন্তহীন রাজত্ব বলেই জানেন সকলে।
কিন্তু এই কুমেরু কি সত্যিই চিরকাল এমন বরফাবৃতই ছিল? কুমেরুর মোটা বরফের তলায় কি আছে, সেটা জানতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা খনন চালিয়ে বরফের অনেক তলা থেকে এমন এক পদার্থ পেয়েছেন যা প্রচলিত ধারনাকে ওলটপালট করে দিয়েছে।
বরফের তলা থেকে পাওয়া গিয়েছে অ্যাম্বার বা তৈলস্ফটিক। এটি একধরনের গাছের রস বা রঞ্জক। যা জমাট বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে বরফের তলা থেকে। এই রঞ্জক পাইন গাছের বলে জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা।
তবে যেটা আদপে জানতে পারা গেছে সেটা হল এই রঞ্জক পাওয়া মানে একসময় এখানে বরফের চাদর নয় বরং ছিল বনাঞ্চল। যেখানে প্রচুর সবুজে ভরে থাকত চারধার। কুমেরুর পশ্চিম দিকে বরফের তলা থেকে এই অ্যাম্বার উদ্ধার কুমেরু সম্বন্ধে ধারনা বদলে দিয়েছে।
গবেষকেরা জানাচ্ছেন, এটা ৮ থেকে ৯ কোটি বছর আগের কথা। যখন পৃথিবীর বুকে ডাইনোসর ঘুরত। তখন অ্যান্টার্কটিকা বরফের পুরু চাদরে ঢাকা বরফের রাজ্য ছিলনা, ছিল সবুজ অরণ্য।














