উটপাখির ডিমে জ্যামিতির ছোঁয়া, লেখা শেখার আগেই কি মানুষ জ্যামিতি শিখেছিল
৬০ হাজার বছর আগের কথা। সেই সময় উটপাখির ডিমের ওপর করা জ্যামিতির খোঁজ অবাক করেছে। তবে কি লেখা শেখার আগেই জ্যামিতি শিখেছিল মানুষ, উঠছে প্রশ্ন।
উটপাখির ডিমের ওপর আঁচর কেটে তৈরি নানা জ্যামিতিক চিত্র। যা করা হয়েছিল ৬০ হাজার বছর আগে। চিত্রগুলি আঁচর কেটে তৈরি। প্রায় খোদাইয়ের মত।
উটপাখির ডিমের খোল যথেষ্ট শক্তপোক্ত। তার ওপরই আঁচর কেটে তৈরি হত জ্যামিতির নকশা। যা নিছক খেলার ছলে যে করা হয়নি সে বিষয়েও নিশ্চিত বিজ্ঞানীরা। জালি বিন্যাস থেকে সমান্তরাল রেখার নিখুঁত কাজ। একইরকম আকৃতি বারবার পাওয়া।
সমকোণ সম্বন্ধে ধারনা। সবই এই জ্যামিতিক চিত্রগুলিতে পাওয়া যাচ্ছে। এগুলি থেকে গবেষকেরা পরিস্কার যে এগুলি হঠাৎ মনে হল বলে করা হয়েছে এমনটা নয়। বরং যথেষ্ট ভেবেচিন্তে করা।
এই জ্যামিতিক নকশাগুলি কেবল যে বর্তমান জ্যামিতিক অঙ্কনের সঙ্গে মেলে তাই নয়, সেগুলি বেশ জটিলও। কেন সেগুলি আঁকা হয়েছিল তা জানা না গেলেও এটা পরিস্কার যে কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাকে মাথায় রেখেই এগুলির বিন্যাস। আগে থেকে ভেবে এগুলি খোদাই করা হয়েছিল।
দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ায় এমন উটপাখির ডিমের ওপর জ্যামিতিক নকশা গবেষকদের অবাক করেছে। ৬০ হাজার বছর আগের এই উটপাখির ডিমের ওপর খোদাই একটা প্রশ্ন তুলেই দিচ্ছে। মানুষ কি তবে লেখা শেখার আগেই জ্যামিতি শিখে গিয়েছিল?
অবাক করা হলেও এই প্রশ্ন উড়িয়ে দিতে পারছেন না বিজ্ঞানীরা। ৬০ হাজার বছর আগে মানে প্রাগৈতিহাসিক যুগ। সে সময়েও মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও জ্যামিতিক জ্ঞান সেই সময়ের মানুষের ক্ষমতার নতুন ব্যাখ্যা সামনে আনল।












