Entertainment

ব্রুস লি-র মৃত্যুর জন্য জলকে কাঠগড়ায় চাপালেন গবেষকেরা

মার্শাল আর্ট কিংবদন্তি তথা অভিনেতা ব্রুস লি-র মৃত্যু এক হেঁয়ালি হয়ে রয়ে গেছে। ফলে এখনও মানুষ মুখিয়ে আছেন কারণ জানতে। গবেষকেরা এবার একটি দাবি করলেন।

মার্শাল আর্ট কিংবদন্তি তথা অভিনেতা ব্রুস লি-র মৃত্যু আজও এক ধোঁয়াশা হয়ে রয়ে গেছে। প্রায় ৫০ বছর আগে মৃত এই কিংবদন্তিকে হত্যা করা হয়েছিল বলে দাবি উঠেছিল সে সময়। তবে ব্রুস লি-র মৃত্যুর কারণ একটা নয়, অনেকগুলি সামনে এসেছিল।

কেউ দাবি করেছিলেন ব্রুস লি-কে চিনের গ্যাংস্টাররা হত্যা করেছে। কারও দাবি ছিল ব্রুস লি-কে তাঁর প্রেমিকাই বিষ পান করিয়ে হত্যা করেন। আবার কেউ বলেন অভিশাপে মৃত্যু হয় ব্রুস লি-র।

১৯৭৩ সালে হংকংয়ে যখন এন্টার দ্যা ড্রাগন তারকার মৃত্যু হয় তখন জানানো হয়েছিল মস্তিষ্ক ফুলে গিয়ে তা মস্তিষ্কের শিরার ওপর এতটাই চাপ ফেলে যে তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু আজও ব্রুস লি-র মৃত্যু একটা হেঁয়ালি হয়ে আছে।

এত বছর পর ব্রুস লি-র মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে একদল গবেষক একটি নতুন তত্ত্বকে সামনে আনলেন। তাঁদের দাবি, ব্রুস লি-পর মৃত্যু হয়েছিল জল থেকে। কার্যত জলই তাঁর প্রাণ কেড়ে নেয়!

যে জল মানুষকে প্রাণ ফিরিয়ে দেয় সে জল কীভাবে প্রাণ নিল! উত্তরে গবেষকেরা দাবি করেছেন ব্রুস লি-র একটি কিডনির সমস্যা ছিল। যার জেরে তিনি অতিরিক্ত জল পান করলে তার একটি পরিমাণ সঠিকভাবে মূত্রের মধ্যে দিয়ে শরীর থেকে বেরিয়ে যেত না।

সেই জলই মস্তিষ্কে একটা স্ফীতি তৈরি করে। অতিরিক্ত জলপানের জেরে সেই মস্তিষ্কের স্ফীতি ৩২ বছরের এই কিংবদন্তীকে সেদিন ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই মেরে ফেলে।

যদিও এটা একটা দাবি মাত্র। নিশ্চিত করে এটাই ব্রুস লি-র মৃত্যুর কারণ এমনটা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button