World

গাছ লাগাতে গিয়ে পাওয়া গেল ১৭০০ বছর পুরনো বাথরুম, ছিল গরম ও ঠান্ডা জলের ব্যবস্থা

কৃষক তাঁর রুটিরুজির জন্য গাছ বপন করছিলেন। সেই সময় তিনি মাটির তলায় যা পেলেন তা গবেষকদের ইতিহাস জানতে সাহায্য করল।

চেরি ফলের গাছ লাগাতে গিয়ে এক কৃষকের নজর পড়ে মাটির তলায়। সেখানে তিনি একধরনের মোজাইকের দেখা পান। দ্রুত সে খবর পৌঁছয় প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে।

কৃষক গাছ রোপণ করার জন্য মাটি খুঁড়ে যখন এই মোজাইকের দেখা পেয়েছেন তখন ওই জমির আশপাশে নিশ্চয়ই আরও কিছু থাকতে পারে। এটা ভেবে সেখানে খননকাজ শুরু হয়।

আর প্রত্নতাত্ত্বিকরা যা ভেবেছিলেন তাই হয়। সেখানে পাওয়া যায় একটি স্নানের ঘর। যে মোজাইক কৃষকের প্রথমে নজরে পড়েছিল সেটা ছিল রোমান যুগের। আর এই স্নানকক্ষও রোমান যুগের বলেই নিশ্চিত করেন গবেষকেরা।

যে মোজাইকটি প্রথম ওই কৃষকের নজরে পড়ে সেটা ছিল বেশ বড় জায়গা জুড়ে। আর তাতে সিংহ, হরিণ, লেপার্ডের মত জন্তুর ছবি মোজাইকের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছিল। ছিল জঙ্গলের ছাপও।

তুরস্কের সালকায়া গ্রামের ধারে এই আশ্চর্য নিদর্শন গোটা বিশ্বের নজর কেড়ে নেয়। এদিকে যে বাথরুম বা স্নানকক্ষটি পাওয়া যায় তার বয়স ১ হাজার ৭০০ বছর বলে জানতে পারেন গবেষকেরা।

সেই প্রাচীনকালেও যে স্নানের ঘরে ঠান্ডা জল, হালকা গরম জল এবং ভাল গরম জল পাওয়ার আলাদা ব্যবস্থা থাকত তা দেখে কার্যতই হতবাক প্রত্নতাত্ত্বিকরা।

এটা খুব পরিস্কার নয় যে সেটি সে সময় কোনও সর্বজন স্নানাগার হিসাবে ব্যবহার হত, নাকি এটা ছিল কোনও ধনী মানুষের নিজস্ব বাথরুম। তবে স্নানঘরের ব্যবস্থা ছিল আধুনিক। প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারনা তুরস্কের এই অংশে একসময় রোমানদের বসবাস ছিল। রোমান বর্ধিষ্ণু পরিবারের মানুষজনের বাস ছিল এখানে।

Show Full Article