Business

শতাধিক ডিনামাইট দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল নীরব মোদীর বিলাসবহুল বাংলো

১০০-র ওপর ডিনামাইট। ডিনামাইট স্টিক গুলি লাগানো বাড়ির ভিতরে ও বাইরে। বেশ সাজিয়ে গুছিয়েই লাগানো হয়। তারপর বিস্ফোরণ। ডিনামাইট একের পর ফাটতে থাকে আর বিশাল বিলাসবহুল অর্থ প্রাচুর্যে ভরপুর বাংলো ধসে পড়তে থাকে। তারপর একসময়ে তা ধূলিসাৎ হয়ে যায়। একটা ধ্বংসস্তূপের চেহারা নেয় এমন গোছানো বাংলো।

শুক্রবার এভাবেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হল পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের আর্থিক কেলেঙ্কারির অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত নীরব মোদীর আলিবাগের বাংলো। ভারত ছেড়ে পালানো নীরব মোদীর এই সমুদ্রতীরের বাংলো বেআইনিভাবে নয়, একেবারে আইনিভাবেই এদিন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সকাল সওয়া ১১টা থেকে বিস্ফোরণ শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে বাড়িটি ভেঙে পড়ে। তবে বিস্ফোরণ ভয়ংকর ছিলনা। আশপাশের ক্ষতি না করে কেবল ওই বাংলো যাতে ভেঙে পড়ে তা মাথায় রেখে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

২০১৮ সালের ডিসেম্বরেই এই বাংলোর দখলে নেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তারপর জানুয়ারিতে আলিবাগের এই বিলাসবহুল বাংলো ভাঙার কাজ শুরুর উদ্যোগ শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন। প্রথমে অবশ্য বাংলোতে থাকা যাবতীয় দামি জিনিস সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কাচের যাবতীয় সাজসজ্জা খুলে ফেলা হয়। তারপর বুলডোজার চালানোর চিরাচরিত প্রথা দিয়ে ভাঙার কাজ শুরু হয়। কিন্তু দেখা যায় এভাবে ওই বিশাল বাংলো ভাঙতে প্রচুর সময় ব্যয় হবে। কাজটাও কষ্টকর। তাই তা বন্ধ করে অবশেষে ডিনামাইট দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল বাংলো। আগামী কয়েক সপ্তাহ এখন চলবে বাংলোর ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে জমি পরিস্কার করার কাজ।

(সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা)

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button