খাবারে মর্যাদার শিরোপা পেল ১০টি রেলস্টেশন, নিশ্চিন্ত করল যাত্রীদের
রেলে যেতে যেতে বা স্টেশনে খাবার কিনে থাকেন যাত্রীরা। সেই খাবারের জন্য সম্মানজনক এক পুরস্কার অর্জন করল ১০টি রেলস্টেশন।
রেলে যাঁরা যাত্রা করেন তাঁদের রেলস্টেশন থেকে অনেকসময় খাবার কিনে খেতে হয়। স্টেশনে স্টেশনে খাবারের পসরাও নেহাত কম থাকেনা। প্যাকেটজাত খাবার থেকে শুরু করে, নানা প্রান্তের মুখরোচক খাবার পাওয়া যায় স্টেশনের দোকান থেকে ক্যান্টিনে।
আবার অনেকে ঘুরে ঘুরেও নানা খাবার বিক্রি করে থাকেন। স্টেশনে ট্রেন থামলে বিভিন্ন খাবার নিয়ে যাত্রীদের কাছে হাজির হন এঁরা। এসব খাবার দেখতে বা খেতে তো ভালই হয়। কিন্তু তা কি স্বাস্থ্যকরও?
অনেকেই এক্ষেত্রে উত্তর দেবেন স্বাস্থ্যকর কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। স্টেশন পরিসরে বিক্রি হওয়া খাবারের মান নিয়ে যাতে যাত্রীরা নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন সেজন্য রেলের তরফে বিভিন্ন সময় পরীক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
সেই বিচারে নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলের আওতায় থাকা ১০টি স্টেশন সেরার শিরোপা পেয়েছে। ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া-র তরফ থেকে এই ১০টি স্টেশন পেয়েছে সম্মানজনক ‘ইট রাইট স্টেশন’ পুরস্কার। যা ৩০ মার্চ ২০২৬ থেকে ২৯ মার্চ ২০২৮ সাল পর্যন্ত বজায় থাকবে।
এই ১০টি স্টেশন হল শিলচর, করিমগঞ্জ, নিউ হাফলং, ডিফু, লামডিং, লঙ্কা, চাপরমুখ, জাগিরোড এবং সরুপথার। এর সঙ্গে লামডিং-এর ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের অফিস ক্যান্টিনও এই তকমা পেয়েছে।
খাদ্য পরীক্ষার জন্য এই সব স্টেশনের ফুড স্টল, ক্যাটারিং এবং যাঁরা খাবার নিয়ে স্টেশনে ঘুরে বেড়ান, সব খাবার পরীক্ষা করা হয়। অডিট করা হয়। ১০টি স্টেশনের ক্ষেত্রে এই খাবার যাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্যকর বলেই স্পষ্ট করা হয়েছে।
রেল আধিকারিক থেকে শুরু করে ভেন্ডার, ক্যান্টিন, হেলথ ইন্সপেক্টর এবং স্টেশনের আধিকারিকদের মধ্যে থাকা পারস্পরিক সমন্বয়ের তারিফ করা হয়েছে। পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর খাবার যাত্রীদের কাছে পৌঁছচ্ছে কিনা সেটা নিয়ে তৎপরতা আরও বাড়লে আগামী দিনে দেশের সব স্টেশনই এই তকমা পাওয়ার যোগ্য হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা














