সমুদ্রের জল থেকে আলো আলাদা করে তা সকলকে চিনিয়ে ইতিহাস গড়লেন ২ ছাত্র
বিএসসি পাঠ্যক্রমের ২ ভারতীয় ছাত্রের গবেষণা ইতিহাস গড়ে ফেলল। সমুদ্রের জল থেকে আলো আলাদা করে দেখিয়ে দিলেন তাঁরা। যা অন্ধকারে জ্বলে।
তাঁরা বিএসসি পাঠ্যক্রমের ছাত্র। সারা দেশে এমন বিএসসি পাঠরত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। তবে তাঁদের মধ্যে ২ উজ্জ্বল রত্নের মত ঝলমল করছে ২ ছাত্রের নাম। কারণ তাঁরা এক কীর্তি স্থাপন করেছেন।
তাঁদের গবেষণা এক নতুন ইতিহাস রচনা করেছে। কোঙ্কণ উপকূলে রত্নগিরির কাছে সমুদ্রের জল সংগ্রহ করে তাঁরা তাঁদের গবেষণা শুরু করেছিলেন। তারপর তা দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে আসে সাফল্য।
সমুদ্রের জল থেকে আলোকে আলাদা করে ফেলেন তাঁরা। রত্নগিরির কাছে সমুদ্রের জলে থাকা জৈব আলোকোজ্জ্বল ব্যাকটেরিয়া বা বায়োলুমিনিসেন্ট ব্যাকটেরিয়া আলাদা করে তাঁরা ওই বিষয়টিতে আলোকপাত করেছেন।
এখানে সন্ধে নামলে সমুদ্রের জলে আলোর মত দেখতে পাওয়া যায়। এমনটা বিশ্বের অনেক জায়গায় হয়ে থাকে। তবে তার কারণ মূলত হয় সমুদ্রের জলে থাকা প্ল্যাঙ্কটনরা।
এক্ষেত্রে জৈব আলোকোজ্জ্বল ব্যাকটেরিয়াকে সমুদ্রের জল থেকে আলাদা করে গুজরাটের ভদোদরার এমকে আমিন কলেজের ২ বিএসসি ছাত্র অর্ণব ধামধেড়ে এবং হরিওম পাঠক ভারতের মুখ বিশ্ব মঞ্চেও উজ্জ্বল করেছেন। একে বড় সাফল্যে হিসাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞেরা।
প্রসঙ্গত গুজরাট সরকার রাজ্যে গবেষণা ও আবিষ্কারে গুরুত্ব দিচ্ছে। তরুণ বিজ্ঞানীদের গবেষণার কাজে সবরকম সাহায্যের চেষ্টা করছে। মহারাজা সাওয়াজিরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের এমকে আমিন কলেজের ২ ছাত্রের এই কাজ আগামী দিনে সমুদ্রের ওপর আরও তরুণ প্রতিভাদের গবেষণামূলক কাজে উৎসাহ প্রদান করবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা












