কৃষকদের লাভবান করতে মুক্তো বড় ভরসা হতে পারে, বোঝাল কৃষি উৎসব
কৃষকরা যে চিরাচরিত কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত তাতে তাঁরা দক্ষ। কিন্তু এবার তাঁদের উন্নত ও অভিনব কৃষির কথা ভাবাতে নেওয়া হল কৃষি উৎসবের উদ্যোগ।
দেশের কৃষকদের একটা বড় অংশ বংশপরম্পরায় কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত। তাঁরা সেই চিরাচরিত কৃষিকাজের সঙ্গে অভ্যস্ত। এভাবে ফসলের ফলনে তাঁরা দক্ষ। কিন্তু জীবন বদলাচ্ছে। সময় এগোচ্ছে। যার হাত ধরে কৃষিতেও অভিনবত্বের প্রয়োজন। যা দেশের কৃষকদের উন্নত কৃষি ব্যবস্থা সম্বন্ধে ধারনা দেবে। নতুন ভাবনা ভাবতে শেখাবে।
সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই মধ্যপ্রদেশের রায়সেন শহরে শুরু হয়েছে এক অভিনব কৃষি উৎসব। যেখানে উন্নত আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত হতে উপচে পড়ছে কৃষকদের ভিড়। আর সেই ভিড়ের একটা বড় অংশকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে মুক্তোর স্টলের সামনে।
যেখানে কৃষকদের শেখানো হচ্ছে পুকুরে মুক্তো চাষ। সমুদ্রের দরকার নেই। বিশাল দিঘির দরকার নেই। একটা পুকুর হলেই হবে। সেখানেও অনেক জলের প্রয়োজন নেই। এমন ছোটখাটো পুকুরেও অনায়াসে মুক্তো চাষ করা সম্ভব।
তবে চিনতে হবে কোন ঝিনুক তার জন্য বেছে নিতে হবে। কীভাবে সেই ঝিনুক থেকে মুক্তো হাতে পাবেন কৃষকরা। পুকুরেই মুক্তো চাষের জন্য কোন কোন বিষয় তাঁদের মাথায় রাখতে হবে।
এখানে মুক্তোর স্টলে সেই সব তালিমই দেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের এখানে খরচও বোঝানো হচ্ছে। একটা ঝিনুক থেকে একটা মুক্তো পেতে সার্বিক প্রক্রিয়ায় খরচ পড়বে মোটামুটি ৫০ টাকার মত।
আর যে মুক্তো পাওয়া যাবে তার দাম ৬০০ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন একজন মুক্তো চাষি। এমনকি অন্য চাষ করতে করতেও পুকুর থাকলে মুক্তো চাষ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।
ফলে মুক্তো চাষে আর্থিক দিক থেকে লাভবান হওয়ার একটা বড় সুযোগ থাকছে। আর তা বুঝতে পেরেই হয়তো কৃষকদের ভিড় উপচে পড়ছে মুক্তো চাষের স্টলে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা












