ছিল একধরনের মাখন, হয়ে গেল হিরে, অবিশ্বাস্য হলেও এটাই হয়েছে
মাখন অনেকেই খেতে পছন্দ করেন। অনেকে পিনাট বাটার বা চিনাবাদামের মাখন খেয়ে থাকেন। কিন্তু সে মাখন যে হিরে হয়ে যেতে পারে সেটা কেউ ভাবতেও পারেননি।
মাখন দৈনন্দিন জীবনের এক চেনা খাবার। চিকিৎসকের পরামর্শে কিছু মানুষের মাখন খাওয়া মানা হলেও মাখনের ব্যবহার ছোট থেকে বড়, সকলের খাবারেই জায়গা পায়। অনেকে আবার পিনাট বাটার বা চিনাবাদামের মাখন খেতে পছন্দ করেন।
দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার হওয়া সেই মামুলি পিনাট বাটার দিয়ে যে হিরে বানানো যেতে পারে তা বোধহয় কেউ ভাবতেও পারেননি। কিন্তু সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন এক জার্মান বিজ্ঞানী। তিনি পিনাট বাটার থেকে হিরে বানিয়ে ফেলেছেন। যে হিরের মানও রীতিমত নজরকাড়া।
পিনাট বাটার হল কার্বনে ভরপুর একটি খাবার। এই কার্বনই একটি নির্দিষ্ট চাপ ও উত্তাপে ক্রমে হিরের রূপ ধারণ করে। যে প্রক্রিয়া চলে পৃথিবীর ৮০০ কিলোমিটার গভীরে। সেখানকার যে উত্তাপ ও চাপ তা হিরে তৈরির উপযুক্ত। তাই সেখানে কার্বন ক্রমে হিরের রূপ নেয়।
সেই একই উত্তাপ ও চাপ গবেষণাগারে তৈরি করে ফেলেন ওই বিজ্ঞানী। তারপর পিনাট বাটারকে ওই উত্তাপ ও চাপের মধ্যে ফেলতে থাকেন। তাতে কাজও হয়। পাউরুটিতে মাখিয়ে খাওয়ার মামুলি পিনাট বাটার ক্রমে উন্নত মানের হিরের রূপ নেয়।
পিনাট বাটার থেকে হিরে তৈরি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন ফেলেছিল। তবে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে পিনাট বাটার থেকে হিরে উৎপাদনের গতি অতি মন্থর।
সামান্য হিরের টুকরো তৈরি হতে সপ্তাহের পর সপ্তাহ লেগে যায়। তাছাড়া রত্ন ব্যবসায়ীদের অনেকের মতে এ হিরে গয়নার পক্ষে উপযুক্ত নয়। বরং ইন্ডাস্ট্রির কাজে এটির বহুল ব্যবহার হতেই পারে।












