ফুচকার গণেশ দেখতে দর্শকদের ভিড় সামাল দিতে হিমসিম উদ্যোক্তারা

একটা আধটা নয়, ২১ হাজার ফুচকা দিয়ে তৈরি গণেশমূর্তি। যা দেখতে জড়ো হওয়া ভিড় সামাল দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে গণেশ পুজো উদ্যোক্তাদের।

ফুচকার গণেশ, ছবি – সৌজন্যে – এক্স – @Ballu_Speaks

গণেশ চতুর্থী ধুমধাম করেই পালিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে সাধারণভাবে ১ দিনের পুজো হলেও মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ বা তামিলনাড়ুতে তা একাধিক দিন ধরে চলে। এসব রাজ্যের অন্যতম প্রধান পুজো হল গণেশ পুজো। বাংলার দুর্গাপুজোর মতই বিশাল তার আয়োজনের ব্যাপ্তি।

সেই গণেশ পুজোয় আবার চমকও থাকে নজরকাড়া। এবার একটি গণেশ পুজোর উদ্যোক্তারা ফুচকা দিয়ে তৈরি করেছেন গণেশমূর্তি। ১৩ ফুট লম্বা এই গণেশমূর্তি নজর কেড়ে নিয়েছে ফুচকার জন্য। মূর্তিটি তৈরিই করা হয়েছে ফুচকা দিয়ে। অবশ্য বাংলায় যা ফুচকা মহারাষ্ট্রে তা পানি পুরি।

এই পুজো হয়েছে মহারাষ্ট্রের পুনেতে। তাই সেখানকার হিসাবে ২১ হাজার পানি পুরি ব্যবহার হয়েছে গণেশের মূর্তি তৈরি করতে। সেই ফুচকার গণেশ দেখতে ভিড় উপচে পড়ছে।

পানি পুরি গণেশ নামই হয়ে গেছে এই পুজোর। এই গণেশমূর্তিটি তৈরি করতে শিল্পীদের ২ মাস সময় লেগেছে। এদিকে ফুচকা থাকায় অনেক অত্যুৎসাহী দর্শক যাতে হাত দিয়ে না ফেলেন তাই সারাক্ষণ পানি পুরি দিয়ে তৈরি গণেশ পাহারা দিচ্ছেন শিল্পীরা।

রোবট গণেশ হোক বা অতি বিশাল গণেশমূর্তি, নানা উদ্যোক্তা নানাভাবে নজর কাড়ার চেষ্টা করেন ভক্তদের। তাঁদের পুজো দেখতে ভিড় উপচে পড়লে তাঁদের ভাল লাগবে সেটাই স্বাভাবিক।

পানি পুরি গণেশ সেভাবেই খ্যাতি অর্জন করেছে। ভগবান গণেশের প্রিয় মিষ্টি মোদক। খাওয়া যাবে এমন সোনার মোদক বানিয়ে ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে নাসিকের একটি মিষ্টির দোকান।